নতুন অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুতি কমছে

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৪, ২০:০১
নতুন অর্থবছরে (২০১৪-১৫) বাংলাদেশে ঋণ ও অনুদান সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সব মিলিয়ে নতুন অর্থবছরে এগারটি প্রকল্পের বিপরীতে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদান সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর করবে সংস্থাটি। বিদায়ী ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে চুক্তি হয়েছে ২৭৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের। এক বছরের ব্যবধানে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমবে ১২১ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৬৫০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুতি আগের অর্থবছরের তুলনায় কমে যাওয়ার ফলে প্রতিশ্রুতি আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আবারো চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সদ্য বিদায়ী ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সরকার ৬০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করলেও শেষ পর্যন্ত ৫৯০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ইআরডি’র দেয়া তথ্যানুযায়ী গেল অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত দাতাদের কাছ থেকে প্রায় ২৬২ কোটি ডলার ছাড় করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক এককভাবে সর্বোচ্চ প্রায় ৬০ কোটি ডলার ছাড় করেছে। নতুন অর্থ বছরের চুক্তিগুলোতে ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুদান এবং বাকী ৫১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা থাকবে। চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যে এগার প্রকল্পে চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০ কোটি ডলারের কন্ডিশনাল ক্যাশ ট্রান্সফার প্রকল্প, ৩৫ কোটি ডলারের মাল্টিপারপাস শেল্টার নির্মাণ প্রকল্প, ১৫ কোটি ডলারের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রজেক্ট (২য় পর্যায়), ২০ কোটি ডলারের চুক্তি হবে নতুন জীবন প্রকল্পে (৩য় পর্যায়), প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ১০ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের প্রকল্পে ১০ কোটি ডলার, ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের জন্য ২৫ কোটি ডলার এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রকল্পের জন্য ১০ কোটি ডলারের চুক্তি হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ রয়েছে।