কবি নজরুলের জন্মদিনে ৮০টি দলের পরিবেশনা

আপডেট : ২৯ মে ২০১৯, ১৯:২১

ফারুক আহমেদ

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

 

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশালে স্থানীয় নজরুল একাডেমির মাঠের নজরুল মঞ্চে গত ২৫, ২৬ ও ২৭ মে তিন দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিদ্যুত্ চক্রবর্তী। এতে স্মারক বক্তা ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. বিশ্বজিত্ ঘোষ এবং স্বাগত বক্তা ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। এ সময় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ-৯ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মনিরা সুলতানা মনি, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন ও ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তা ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল জাকির।

সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান ও ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তা ছিলেন লেখক ও নজরুল গবেষক এ এফ এম হায়াতুল্লাহ এবং স্বাগত বক্তা ছিলেন উপজেলা নির্বাহী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল জাকির। উদ্বোধনী দিনে ২৬টি সাংস্কৃতিক সংগঠন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলো হলো স্বরলিপি সাংস্কৃতিক একাডেমি, ময়মনসিংহ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, বর্ণ সাংস্কৃতিক একাডেমি, ওস্তাদ আমজাদ হোসেন শিল্পীগোষ্ঠী, চেতনা বাংলাদেশ, সপ্তর্ষী, সুর-তাল-লয়, নবপ্রাণ ড্যান্স একাডেমি, ত্রিসপ্তক সাংস্কৃতিক একাডেমি, উদীচী কেশরগঞ্জ শাখা, রাহেলা হযরত মডেল স্কুল, নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিদ্রোহী নাট্যগোষ্ঠী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, সায়ন্ত ক্লাব, দোলনচাঁপা শিল্পীগোষ্ঠী, নৃত্যাঙ্গন, ত্রিশাল শিল্পীগোষ্ঠী, শুকতারা সংঘ, ময়মনসিংহ লোককৃষ্টি সংস্থা, বহুরূপী নাট্য সংস্থা, নৃত্যমী, সূচনা শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলা নাট্যাঙ্গন ও শাপলা থিয়েটার।

দ্বিতীয় দিনে ৩২টি সাংস্কৃতিক সংগঠন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো হলো প্রকৃতি, লংবলং সাংস্কৃতিক একাডেমি, কলকাকলী সঙ্গীত বিদ্যালয়, সুরলহরী সঙ্গীত একাডেমি, অমৃত প্রভাষিণী সঙ্গীত বিদ্যালয়, কবিতা পড়ার দল-কবিয়াল, মুখোশ নাট্য সংস্থা, সপ্তসুর সঙ্গীত বিদ্যালয়, সৃষ্টি শিল্পকলা একাডেমি, সপ্তসুর সঙ্গীত একাডেমি, নজরুল একাডেমি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, জাতীয় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশকিছু সংগঠন। এছাড়া সমাপনী দিনে ৩২টি সাংস্কৃতিক সংগঠন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।