বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের নারিচবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী- কাম- নৈশ প্রহরী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র,জন্ম নিবন্ধন,জাতীয়তা সনদ-এর মত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি জালিয়াতি করে নিয়োগ নেয়ার মত চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে ।
২৯ জুন নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলে বাইশারী এলাকার মৃত রশিদ আহমদের পুত্র মুবিনুল হক প্রথম,একই এলাকার মৃত জাফর আলমের পুত্র আব্দুর রহিম দ্বিতীয়,আলী মিয়া পাড়ার মৃত মকছেদ আলী ফরাজীর পুত্র মো.আবু বকর সিদ্দিক তৃতীয় স্থান অধিকার করে ।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো.আবুল কাশেম ৫০ হাজার টাকা উেকাচের বিনিময়ে তৃতীয় স্থান প্রাপ্তকে নিয়োগ দেয়ার জন্য বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে সুপারিশ দাখিল করে । সুপারিশপূর্বক অবৈধভাবে তদবির করে আবু বকর সিদ্দিককে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সিদ্বান্ত নেয় জেলা পরিষদ ।
এর আগে মো.আবু বকর সিদ্দিক বাইশারী রাবার বাগানে টেপারের কাজ করত । তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৭৩ সালের দুই জানুয়ারি। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৪০ বছর। চাকরিতে উত্তীর্ণের জন্য প্রকৃত এই তথ্য গোপন করে জাতীয় পরিচয়পত্র কম্পিউটারে স্ক্যানিং করে জন্ম তারিখ ১০ বছর কমিয়ে আনে। এছাড়া জন্ম সনদ ,জাতীয়তা সনদ ,অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণের সনদ ও সাল,নাম জালিয়াতি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয় । এছাড়া নিয়োগে বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলী অনুযায়ী প্রার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতে হবে । কিন্তু আবু বকর সিদ্দিক ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা নয় ।
