ঈদ আসন্ন, তারপরও তাঁতের কাপড়ের বিক্রি বাড়ছে না

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৪, ২২:২০
প্রতিবার তাঁতীরা চাহিদার শাড়ী-লুঙ্গী বেশি দামে বিক্রি করে আসলেও সিরাজগঞ্জে এবার তার ব্যতিক্রম চিত্র। পাইকারী হাটে কাপড় কেনা-বেঁচায় মন্দার কারণে ব্যবসায়ীক তেজীভাব না থাকায় অনেকে শুভক্ষণ পর্যন্ত করতে পারছেনা। এমন অবস্থা আগে কখনও আসেনি। এজন্য ভারতীয় শাড়ি, ত্রি-পিছের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তর্জাতিক ভাবে নতুন বাজার সৃষ্টি না হওয়ায় এবার এ সমস্যা বলে দাবী করছে তাঁতীদের সংগঠন বাংলাদেশ হ্যান্ডলুম পাওয়ারলুম এ্যাসোসিয়েশন। আর ব্যবসায়ীক ভাবে সফল তাঁতীরা জানিয়েছে, এই ঈদে শাড়িতে নিত্য-নতুন ডিজাইন না আনা এবং চাহিদার সুতি শাড়ি তৈরি না করে পুরাতন ধারনার সিল্ক শাড়ি উত্পাদনের কারণেই বেশির ভাগ তাঁতীরা এ মৌসুমে ধরা খেয়েছে। আর ভারতের বাজারেও আধুনিক এসব সুতি শাড়ীর ব্যাপক চাহিদার জন্য উত্পাদনে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঈদ আসলে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, এনায়েতপুর, শাহাজাদপুর, উল্লাপাড়া, কাজিপুর ও সদর উপজেলার ২০ হাজার তাঁত মালিক তাদের প্রায় দেড় লাখ তাঁতে দেড় মাস আগে থেকে ব্যাপক চাহিদা বিপরীতে দিন-রাত পরিশ্রমে শাড়ি-লুঙ্গী তৈরী করে থাকেন। কিন্তু এবার বিপরীত চিত্র।