ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা দুইটি মামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জিএম লতিফ খান, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হাবিবুর রহমান ও সেকশন অফিসার নাসির উদ্দিনকে তিন বছর করে কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে চট্টগ্রামের একটি আদালত। মঙ্গলবার বিভাগীয় বিশেষ জজ এসএম আতাউর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্র জানায়, ১৯৮৩ সালে ফলাফল জালিয়াতি করে ৫ শিক্ষার্থী এবং ১৯৯৩ সালে ৪৮ শিক্ষার্থীকে নম্বর ফর্দ ও সনদ সরবরাহ ও পাস করিয়ে দেয়ার অভিযোগে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। ১৯৯৭ সালে মামলা দুইটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তত্কালীন উপ-পরিচালক নূরুল হুদা আজাদ। দুই মামলায় মোট ২১ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় প্রদান করে।
বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ইত্তেফাককে জানান, অভিযুক্তদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন কর্মকর্তাই এই মামলায় জামিনে ছিলেন। তবে সাবেক উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হাবুিবর রহমান ও সেকশন অফিসার নাসির উদ্দিন ফলাফল জালিয়াতির অপর একটি মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন। রায় ঘোষণা উপলক্ষে গতকাল তাদের আদালতে উপস্থিত করা হয়। এসময় জামিনে থাকা অপর আসামি জিএম লতিফ খানও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
