সরকারকে আলোচনার উদ্যোগ নিতে বললেন খালেদা জিয়া

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৪, ২৩:১৭
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, সময় থাকতে সাবধান হন, আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করুন। বন্দুকের জোর দেখাবেন না। বন্দুকের জোরে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। খালেদা জিয়া বলেন, ঈদের পর কঠোর আন্দোলনে সরকারের বিদায় হবে। সেজন্য দেশপ্রেমিক সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটন লেডিস ক্লাবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। আওয়ামী লীগ তাদের নিজেদের লোকজনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তারা লুটপাট, অত্যাচারে জড়িত। র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, র্যাব যতদিন থাকবে ততদিন গুম বন্ধ হবে না। র্যাব সিরিয়াল কিলারের মত টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করছে। তারা এখন জনগণের বন্ধু না। জনগণের আতংক। খালেদা জিয়া বলেন, এই রমজান মাসে আল্লাহ দোয়া কবুল করেন। আসুন আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ এই সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন। ২০ দলের বাইরে অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সাম্যবাদী দল আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। অন্যরাও যোগ দিতে যোগাযোগ করছে। তাই ছোট-বড়, ডান-বাম নয় যারা দেশকে ভালোবাসে তাদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন করতে হবে। এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমেদের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে ২০ দলীয় জোটের পক্ষে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. টিআইএম ফজলে রাব্বী, মহাসচিব মোস্তাফা জামাল হায়দার, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রেদোয়ান উল্লাহ শাহেদী, মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিশের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, মহাসচিব ডা. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. ইব্রাহিম, এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা, ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গনি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামিক পার্টির আব্দুল মবিন, মুসলিম লীগের সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ-ভাসানী) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. আজহারুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, এমকে আনোয়ার, তরিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুস সালাম, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ ইফতারে যোগ দেন।