প্রচার-প্রচারণা ছাড়াই নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে তৈরি হচ্ছে কফিন। এখানকার তৈরি কফিন রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপের বাজারে। ওয়েসিস কফিনস নামে একটি প্রতিষ্ঠান এসব তৈরি করছে। ওয়েসিস কফিনসের ব্যবস্থাপক জেমস এ খান জানান, আমরা প্রচারে বিশ্বাসী নই, কর্মে বিশ্বাসী। ২০১০ সালে ডেভিড হাউ নামে এক ব্যক্তি ওয়েসিস কফিনস নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। স্থানীয়ভাবে বাঁশ, বেতসহ আরো সহজলভ্য সব উপাদান দিয়ে তিনি কফিন তৈরি করে তা ইউরোপের বাজারে বিক্রি করেন। প্রথম অবস্থায় বেশ পুঁজির সংকট ছিল তার। একসময় সংকট কাটাতে এগিয়ে আসে টিন্ডার ক্যাপিটল নামে একটি কোম্পানি। সঙ্গে যোগ দেয় পানাপুর নামে যুক্তরাজ্যের একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের এ সংগ্রামে এক পর্যায়ে সঙ্গী হন নীলফামারীর শত শত হতদরিদ্র নারী। সবার চেষ্টায় গড়ে ওঠে ওয়েসিস কফিনস। অনেক হতদরিদ্র নারী এখানে কাজ করে এখন স্বচ্ছল জীবন-যাপন করছেন, পরিবারে অভাব-অনটন নেই বললেই চলে। তাদের ছেলে-মেয়েরাও স্কুলে যায় এবং অনেকে এক-দুই শতক করে জমিও কিনছেন।
কফিন তৈরির কারণে বিশেষ ধরনের বাঁশ ও বেতের চাহিদাও বেড়ে চলেছে। ফলে বাঁশঝাড়ের মালিকরাও লাভবান হচ্ছেন।
