লালপুরে মাদ্রাসা কক্ষে ১৪ বছর যাবত্ ইউপির অফিস

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০১৪, ২২:১১
দুই গ্রামের মানুষের রশি টানাটানির কারণে লালপুর উপজেলার অর্জুনপুর-বরমহাটি (এবি) ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। ফলে গত ১৪ বছর ধরে পরিষদের কার্যক্রম চলছে আঙ্গারীপাড়া মাদ্রাসার জীর্ণ একটি কক্ষে। যেখানে বিদ্যুতের সুব্যবস্থা নেই, নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে ব্যাহত হচ্ছে ই-তথ্য সেবা। চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, সচিবসহ সকলেই বসেন একই কক্ষে। আর সালিশ দরবার চলে মাদ্রাসার মাঠে। জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে ১০ নং গোপালপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গোপালপুর পৌরসভা ঘোষণা করা হলে বাদ পড়া গ্রামগুলো নিয়ে গঠিত হয় অর্জুনপুর-বরমহাটি (এবি) নামে নতুন ইউনিয়ন পরিষদ। ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবেদ আলী জানান, পরিষদ গঠনের পর থেকেই মাদ্রাসার এই কক্ষে এর সকল কার্যক্রম চলছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবনের জন্য ২০০৯ সালে সরোয়ার, জাকিরুল ও সাইদুর নামের তিন ব্যক্তি আঙ্গারীপাড়ায় ৫০ শতক জমি দান করেন। সেখানে ভবন নির্মাণের দাপ্তরিক কার্যক্রমও শুরু হয়। কিন্তু অর্জুনপুর গ্রামের মানুষ ২০১০ সালে ৫০ শতক জমি দান করে তাদের এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে। এই মামলার বাদী পাটিকাবাড়ি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক। মামলায় আঙ্গারীপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের পক্ষে রায় হয়। পরে মামলাটি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, এবি ইউনিয়নের ভবন নির্মাণ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা বিদ্যমান। মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।