শর্তসাপেক্ষে অর্থ পাচারের মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের ডিভিশন বেঞ্চ রুলের চূড়ান্ত শুনানি করে গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। জামিন সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, খন্দকার মোশাররফকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশে যাওয়া যাবে না। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি যোগাযোগও করতে পারবেন না।
গতকাল মোশাররফের পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম ও দুদক কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন।
ব্যারিস্টার মওদুদ সাংবাদিকদের বলেন, খন্দকার মোশাররফ এই মামলাতেই গ্রেফতার ছিলেন। জামিন পাওয়ায় তার কারা মুক্তিতে কোন আইনগত বাধা নেই।
২০০১ থেকে ২০০৬ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পাচারের অভিযোগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ইতিপূর্বে হাইকোর্ট তাকে জামিন দিলেও আপিল বিভাগ বাতিল করে। এরপর গত ১২ মার্চ গুলশানের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর স্বাস্থ্যগত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিচারপতি নাঈমা হায়াদারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ কেন মোশাররফকে জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। গতকাল এ রুলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট তাকে স্থায়ী জামিন দেয়।
