সরকারকে শ্রম আইন সংস্কার, পরিদর্শকদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়োগসহ শ্রমিকদের স্বাধীনভাবে ইউনিয়ন করার পরিবেশ সৃষ্টিতে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ইউরোপীয় কমিশন বলেছে, শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়ন অনেক দেশের বাজার ধরে রাখতে বিশেষ করে ইউরোপের বাজার ধরে রাখতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশে গত এক বছরে পোশাক কারখানার পরিবেশ ও নিরাত্তার উন্নয়নে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে আরো কাজ করতে হবে বলে কমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আইএলও’র সহায়তায় গঠিত ‘সাস্টেইনেবিলিটি কম্প্যাক্ট’-এর বর্ষপূর্তিতে এই বিবৃতি দেন ট্রেড বিষয়ক ইউরোপীয় কমিশনার ক্যারেল ডে গুচত এবং এমপ্লয়মেন্ট, সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ইনক্লুশনের কমিশনার লাজলো অ্যান্ডর। সাধারণভাবে পরিচিত এই ‘কম্প্যাক্ট’ তৈরি পোশাক ও নিট খাতে শ্রমিক অধিকার ও কারখানা নিরাপত্তার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
‘স্টেয়িং এনগেইজড-এ সাস্টেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট- ওয়ান ইয়ার অন’ শিরোনামে ইউরোপীয় কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনে অস্বীকৃতি, বৈষম্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির বিষয়গুলো বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই আমলে নিতে হবে।
