শেয়ারবাজারে লেনদেনের খরা কাটছেই না। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ১৭৭ কোটি টাকা। বেশ কিছুদিন ধরেই বাজারে লেনদেন হচ্ছে দুইশ’ কোটি টাকার ঘরে। আর গত দুই দিন লেনদেন হয়েছে দুইশ’ কোটি টাকারও নিচে। এদিকে ডিএসইতে দরপতনও থামছে না। গত আট কার্যদিবস ধরে টানা দরপতন হচ্ছে। আট কার্যদিবসে ডিএসই’র সূচক কমেছে ১২৪ পয়েন্ট।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৭৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ১৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৪৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৯৬ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ১৯১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির কমেছে ৯৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের।
এদিকে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে আগামী ১৫ জুলাই থেকে শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে। এর আগে গত ১ জুলাই ডিএসই’র ৭৭৩তম বোর্ড সভায় শাহজিবাজার পাওয়ারকে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলনের জন্য ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছাড়ে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। গত ১৫ জানুয়ারি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়।
