৭ শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্য থাকলেও বিদায়ী অর্থবছরে (২০১৩-২০১৪) গড় মূল্যস্ফীতি ছিলো ৭.৩৫ ভাগ। পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে গত জুন মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৬.৯৭ ভাগ, যা আগের মে মাসে ছিলো ৭.৪৮ ভাগ। গতকাল পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য প্রকাশ করেন। আগারগাঁওস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি আরো জানান, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হয়েছে। এসময় খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি ৯.০৯ থেকে হ্রাস পেয়ে ৮ শতাংশে এবং খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি ৫.১৬ থেকে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৫.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বোরো ধান উঠে আসায় এসময় খাদ্যে মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিম্নগামী হয়েছে। অন্যদিকে আসছে ঈদকে ঘিরে কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বগামী হয়েছে।
বিবিএস এর হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, আলোচিত সময়ে চাল, শাক-সবজি ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের দাম আগের মাসের তুলনায় কমেছে। অন্যদিকে পরিধেয় বস্ত্রাদি, বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী, চিকিত্সা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণের দাম আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে।
মন্ত্রী বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে উল্লেখ করেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সব মন্ত্রণালয়ের তথ্য এখনও হাতে এসে পৌঁছেনি। তবে বেশিরভাগ মন্ত্রণালয় গত অর্থবছরে শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে। বর্তমান সরকারের মেয়াদের ৫ বছর সময়কালে ১ কোটি কর্মসংস্থান করার লক্ষ্য রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদেরকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রচলিত শিক্ষার চেয়ে কর্মমুখি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
