বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অমান্য করে ঝিনাইদহে টিয়া ও ঘুঘু পাখি শিকার চলছে। এ সময় টিয়া পাখি বাচ্চা তোলে। বিভিন্ন গাছের খোড়লে বাসা বেঁধে ডিম পাড়ে টিয়া। বাচ্চা বড় হলে ঝাঁক বেঁধে উড়ে বেড়ায়। আহারের জন্য কোন গাছে বসে। টিয়ার ডাক শুনে শিকারি টের পায়। বাঁশের নল জোড়া দিয়ে ফাঁদ তৈরি করে।্ উপরের নলের মাথায় এক ধরনের আঠা লাগানো থাকে। টিয়া ওই আঠায় আটকে যায়।্ তখন নামিয়ে কাছে থাকা বাঁশের তৈরি খাঁচায় ভরে। ১০-১৫টি হলে শহরে এনে ফেরি করে বিক্রি করে বেড়ায়। একেকটি টিয়া বিক্রি হয় ৩শ’ টাকা করে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার দুধসর আশ্রায়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী ব্যাধ সমপ্রদায়ের লোকেরা বেশি সংখ্যক টিয়া শিকার করে থাকে। এটাই তাদের পেশা বলে জানায়। প্রতিদিন সকালে তারা টিয়া পাখি শিকারে বের হয়। বিকালে শিকার করা টিয়া খাঁচায় ভরে বাড়ি ফিরে। একেতো প্রতিকূল পরিবেশ, তার উপর শিকারের কারণে ঝিনাইদহ জেলায় টিয়ার সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
একশ্রেণীর শিকারীর ঘুঘু শিকার পেশা। তারা একটি পোষা ঘুঘু দিয়ে বন্য ঘুঘু শিকার করে। ঘুঘুর ডাক শুনলেই ফাঁদ পাতে। পোষা ঘুঘুর ডাক শুনলেই বন্য ঘুঘু খাঁচার উপর উড়ে এসে বসে। আর আটকে যায়। তখন শিকারী ধরে পৃথক খাঁচায় ভরে। ৫-১০টি হলে শহরে এনে বিক্রি করে। এক জোড়া ১১০-১১৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। সুস্বাদু মাংসের জন্য ঘুঘু পাখির চাহিদাও বেশি।
