গঙ্গাচড়ায় অজ্ঞাত রোগে মরে যাচ্ছে পাট গাছ

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৪, ২১:২৫
উপজেলার কিসামত হাবু গ্রামের আনন্দ বর্মন, বিজয় চন্দ্র কেউ জানে না তাদের পাট ক্ষেতে কি রোগ হয়েছে। কেন পাট গাছগুলো মরে যাচ্ছে। এসবের কিছুই জানে না তারা। ক্ষতি হয়েছে বেশ। আনন্দ আর বিজয়ের মত রংপুরের গঙ্গাচড়ার বিভিন্ন এলাকায় অজ্ঞাত রোগে মারা যাচ্ছে পাট গাছ। বিপাকে পড়েছে পাট চাষিরা। এ অবস্থায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার। আনন্দ বর্মন এবছর একবিঘা জমি বর্গা নিয়ে পাট চাষ করে। কিন্তু পাট গাছ বড় হওয়ার সাথে পাট গাছ মরে যেতে শুরু করে। ক্ষেতটির প্রায় অর্ধেক পাট গাছ মরে গেছে। এজন্য তিনি কোন প্রকার কীটনাশক কিংবা ্ওষুধ স্প্রে করেননি। উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা এ কে এম মাহবুব আলম বিশ্বাস বলেন, এক ধরনের পোকার কারণে এটি হতে পারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এটি সাধারণত ছত্রাকজনিত রোগ। তবে রোগটি সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে পাট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা প্রয়োজন। দক্ষিণাঞ্চলে এবার দু’লাখ হেক্টর জমিতে পাট চাষ বরিশাল অফিস \ চলতি মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলের ১১ জেলায় দু’লাখ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ সম্পন্ন করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ১৬৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করার। আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়- মোট পাট আবাদ করা পাটের মধ্যে দেশি জাতের আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৮১ হেক্টর জমিতে। ২৬৩ হেক্টর জমিতে তোষা জাতের পাট। ১ লাখ ৭৭ হাজার হেক্টর জমিতে মেস্তা জাতের পাট। ১০ হাজার ৭৯৬ হেক্টর জমিতে কেনাফ জাতের আবাদ হয়েছে । বাকি ৪ হাজার ৭৪০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় বিভিন্ন জাতের পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের উপ-সহকারী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, আবাদকৃত জমি থেকে চলতি মৌসুমে পাটের উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ১২৩ বেলে (এক বেলে=৫ মণ) পাট। আগামী ২ মাস পর পুরোদমে পাটের কর্তন শুরু হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দক্ষিণাঞ্চলে পাটের ব্যাপক ফলন হবে।