টিচার নাকি চিটার!

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৪, ২২:৩৫
একজন শিক্ষকের কাজ শিক্ষার্থীদের নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া। কিন্তু যে শিক্ষক নিজেই নীতিহীনতার মাধ্যমে শিক্ষকতার মতো পবিত্র পেশায় প্রবেশ করেন তিনি কিভাবে শিক্ষার্থীদের নীতির শিক্ষা দেবেন! এসব শিক্ষকদের টিচার না বলে ‘চিটার’ বা প্রতারক বলাই শ্রেয় হবে! অন্তত বিহারের ঘটনাটা জানলে। সেখানে ১১শ শিক্ষকের ভুয়া ডিগ্রির তথ্য পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ১১শ শিক্ষককে চাকরিচ্যুতও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিহারের শিক্ষা কর্মকর্তা আরএস শিং। তিনি জানান, ২০০৬ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে প্রচুর শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই সময় বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে অনার্স চাওয়া হয়। তখন অনেকেই ভুয়া অনার্স ডিগ্রির সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি নেন। চাকরির নিয়োগ পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের সার্টিফিকেট নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। বিহারের শিক্ষামন্ত্রী ব্রিশেন প্যাটেল জানিয়েছেন, তদন্ত এখনো চলছে। তিনি আড়াই লাখ শিক্ষকের সবার সার্টিফিকেট যাচাই বাছাই করার নির্দেশ দিয়েছেন। ভারতে শিক্ষার মানের দিক দিয়ে বিহারের মান সবচেয়ে খারাপ। দিন দিন শিক্ষার মান কমছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। যদিও শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ছে। টিচার যদি চিটার হয় তাহলে শিক্ষার মান বাড়ে! - এনডিটিভি