মধুখালী উপজেলায় কোনো কাজ না করেই ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলা পরিষদের গত ১৭ এপ্রিল ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে। প্রকল্প ৩টি বাস্তবায়নের জন্য ৩টি প্রকল্প কমিটি গঠন করা হয়।
আওতায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অগভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য গাজনা ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী মোল্ল্যাকে প্রকল্প সভাপতি করে ১ লাখ টাকা, বিভিন্ন স্থানে পাইপ কালভার্ট স্থাপনের জন্য নওপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বর আব্দুর রহমানকে সভাপতি করে ১ লাখ টাকা এবং সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বর মো. বিল্লাল খানকে সভাপতি করে ১ লাখ টাকাসহ মোট ৩ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়।
ওই সকল প্রকল্পের কাজ না করেই ইউএনও ও উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরে গত ৩০ জুন তিনটি চেকের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সদর ও গাজনা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসেম আলী, নওপাড়া ইউনিয়ন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল কাইয়ুম জানান, তারা উল্লেখিত প্রকল্পের কোনো প্রাক্কলন, এমবি বা বিল তৈরি করেননি। উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ওই তিনটি প্রকল্প সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। প্রকল্প পিআইসি আব্দুর রহমান, ও মো. বিল্লাল খান জানান, ৩০ জুন তারা ওই প্রকল্পের কোনো টাকা উত্তোলন করেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া জামান জানান, জুন মাসে আমি অনেক বিলেই স্বাক্ষর করেছি। তার মধ্যে এমন কোনো বিল আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান মোল্লা জানান, ইউএনও’র স্বাক্ষরের পর আমি চেকে স্বাক্ষর করি। সে জন্য বিষয়টি না দেখে কিছুই বলা যাবে না।
প্রকল্প সভাপতিরা বিল তোলেননি, প্রকৌশলীরা বিল তৈরি করেননি, সরেজমিনেও কোনো কাজ হয়নি। তাহলে ৩০ জুন ইউএনও এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরে উঠিয়ে নেয়া অনুমোদিত ৩ লাখ টাকা কোথায় গেল সেটা এখন মধুখালীতে জনজিজ্ঞাসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
