পড়ার বিষয় এসিসিএ

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৪, ১৯:৪৩
(ACCA) এবং (CAT) দুটিই প্রফেশনাল কোর্স। এসিসিএ- সিপিএ, সিএ, সিএমএ প্রভৃতির সমমানের। এটি জাতিসংঘ স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন আব একাউন্ট্যান্টস এর মেম্বার। সিএ এবং এসিসিএর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ হচ্ছে আপডেট কারিকুলাম। এটি একমাত্র কোর্স যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ড সহ ১৭৩ দেশে ১০০% ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (FD) হচ্ছে এসিসিএ’র এন্ট্রি লেভেলের সুট অব কোয়ালিফিকেশনস যা থেকে শিক্ষার্থীরা পুর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চমত্কার কোর্স বেছে নিতে পারে। শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা লেভেল শেষ করে সরাসরি এসিসিএ’র স্কিল মডিউলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। সাধারণ মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করে যে মানের চাকরি পাওয়া যায়, এটি সম্পন্ন করে বিশ্ব জুড়ে তার চেয়ে ভালো মানের চাকরি পাওয়া যায়। এসএসসি/এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। CAT করার পর এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফডি-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যহতি পেতে পারে। কোর্সটি দ্রুত সময়ে সম্পন্ন করা যায় অনেক কম খরচে। যেমন বিবিএ এমবিএ’র সময়সীমার সাথে তুলনা করা গেলে দেখা যাবে- এসএসসি পাশের পর এইচএসসি’র জন্যে দুই বছর, বিবিএ’র জন্যে ৪ বছর এমবিএ’র জন্যে ২ বছর অর্থাত্ প্রায় ৬ থেকে ৮ বছর অপেক্ষা করতে হয় এবং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে ৫ থেকে ১২ লাখ টাকা লেগে যায়। এক্ষেত্রে সময় বেশি লাগার কারণে খরচও বেশি হয়। কিন্তু এসএসসি/এইচএসসি’র পর যে কোনো শিক্ষার্থী মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট হতে পারে, অর্জন করতে পারে একাউন্টিংস-এ অনার্স ডিগ্রি। বাংলাদেশে এই কোর্সে সর্বাধীক সাফল্য রয়েছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের। এদের একাধিক ক্যাম্পাস ছাড়াও রয়েছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার দেবার সুযোগ। বাড়ি- ৫১, রোড ১০/এ, ধানমন্ডি, ফোন- ৮১৪১৬০১ ওয়েব পেজ -www.cucedu.com