গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় দুর্ঘটনার আট দিন পর পরিচয় মিলেছে হাসপাতালে চিকিত্সাধীন মেয়ে শিশুটির। মেয়েটির নাম শিখা। বাবার নাম গোলাম মোস্তফা এবং মায়ের নাম মুন্নি বেগম। গোবিন্দগঞ্জের তালুককানুপুর ইউনিয়নের বেড়ামালঞ্চ গ্রামে তার বাড়ি।
গত ৫ জুলাই গোবিন্দগঞ্জের হাওয়াখানা নামক স্থানে এক সড়ক দুর্ঘটনায় শিখার মা মুন্নি বেগম মারা যায়। তার কোলের সন্তান শিখা গুরুতর আহত হয়। দুর্ঘটনার সময় পরিচয় না পাওয়ায় মুন্নির লাশ মর্গে পড়ে থাকার পর আঞ্জুমান মুফিদুল অজ্ঞাত হিসেবে তার লাশ দাফন করে। আর পরিচয়হীন হয়ে অসুস্থ শিখা বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিত্সাধীন ছিল।
শিখার আপনজন দাবি করে কেউ না আসায় হাসপাতালে থাকা অবস্থায় তার অনিশ্চিত জীবন নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে অনেকেই তাকে প্রতিপালনের দায়িত্ব নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্ু্ত গতকাল দুপুরে শিখাকে তার সন্তান দাবি করে গোলাম মোস্তফা থানায় এসে পরিচয় দিলে সব কিছুর অবসান ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শিখার মা মুন্নি অভিমান করে বাবার বাড়ি যাচ্ছিল।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, শিশুটি সুস্থ হলে এবং যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
