নির্বাচন প্রশ্নে সরকারের অবস্থান পরিবর্তন হবে না :নাসিম

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৪, ২২:৪৪
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, মেয়াদ পূর্তির একদিন আগেও দেশে জাতীয় নির্বাচন হবে না। নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিএনপি নেত্রী যত হুংকারই দিন না কেন নির্বাচন প্রশ্নে সরকারের অবস্থানের কোন পরিবর্তন হবে না। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বেইলী রোডে অফিসার্স ক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিলপূর্ব এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। রবিবার খালেদা জিয়া এক ইফতার মাহফিলে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে কোন লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেন। মোহাম্মদ নাসিম বেগম জিয়ার এ বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে বলেন, তিনি (খালেদা) সঠিক মন্তব্যই করেছেন। কারণ বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসে কোন লাভ হবে না। আলোচনার টেবিলে বসলে শুধু ঝগড়া, বিবাদ বাড়বে। যেহেতু বিএনপি আলোচনায় অভ্যস্ত নয়, সেহেতু সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা ছাড়া তাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ হবে না। কারণ জেনারেলের পকেট থেকে বের হওয়া বিএনপির মতো দলের কথিত আন্দোলন মোকাবেলার শক্তি মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিসিএস ক্যাডারের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ হাজার ২শ’ ডাক্তার আগামী ৭ আগস্টের মধ্যে কর্মস্থলে যোগ দিতে যাচ্ছেন। এসব ডাক্তারদের নিজ নিজ এলাকার জেলা ও উপজেলায় নিয়োগ দেয়া হবে। যাতে তারা কর্মস্থলে থেকে নিজেদের এলাকার জনগণের স্বাস্থ্য সেবা ভালভাবে দিতে পারেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জেলা পর্যায়ে প্রতিটি হাসপাতালে আইসিইউ, সিসিইউ স্থাপন করা হবে। চিকিত্সকদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কথায় কথায় ধর্মঘটে যাবেন না। কোন অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। রোগীর স্বজনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ডাক্তারদের ওপর হামলা করবেন না। চিকিত্সা দেয়ার ক্ষেত্রে কোন ডাক্তার ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করেন না। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত, ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের মহাসচিব ডা. ইকবাল আর্সনাল প্রমুখ।