কুমিল্লায় কাজ করছে ৮৬ জন স্বেচ্ছাসেবক
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষের সেবায় পাইলট প্রজেক্ট নিয়ে এগিয়ে এসেছে ‘ট্রমালিংক’ নামের একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। ‘ট্রমালিংক’-এর প্রেসিডেন্ট আমেরিকার হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির চিকিত্সক ডা. জন মৌস্যালীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
‘বিপদে আমরা’ শিরোনামে মডেলটির পাইলট কার্যক্রম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ কুমিল্লা অংশের ১৫ কিলোমিটার এলাকা থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং এ এলাকায় কাজ করবে প্রশিক্ষিত ৮৬ জন স্বেচ্ছাসেবক। এই মডেল বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিআরপি, এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউট ও সিআইপিআরবি। এখানে তা বাস্তবায়িত হলে পরবর্তীতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হবে এবং সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত মানুষের সেবায় এই মডেল পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও পর্যায়ক্রমে ছড়িয়ে দেয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
এ প্রজেক্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে গত সোমবার অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, এমওসিএস ডা. সাহাদাত্ হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং ট্রমালিংক-এর পক্ষে ছিলেন এর প্রেসিডেন্ট ডা. জন মৌস্যালী, মেডিক্যাল অ্যাডভাইজার ও মাস্টার ট্রেইনার ডা. মো. আবদুল বাকী, ভাইস প্রেসিডেন্ট বিধান চন্দ্র পাল, এরিয়া ম্যানেজার মো. আবদুল্লাহ্ আল মাহবুব (শিশির), প্রোগ্রাম ম্যানেজার অরুপ সাহা প্রমুখ।
