১৯৯২: ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ পাকিস্তান রোমাঞ্চ

আপডেট : ২৯ মে ২০১৯, ২২:৩০

 

১৯৯২ সালে এসে আইসিসি অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে চালু করলো রঙিন পোশাক, ফ্লাড লাইট। সেইসঙ্গে খেলোয়াড়দের জার্সির পেছনে নাম লেখা, সাদা বল, ফিল্ডিং রেস্ট্রিকশন এবং দুই প্রান্তে দুই নতুন বল মিলিয়ে আজকের দিনের ক্রিকেট ডানা মেললো। খেলার আইন-কানুনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটা এলো ‘বৃষ্টি আইন’-এ। এর আগে রান গড়ের সুবাদে পরে ব্যাট করা দলের সামনে লক্ষ্য ছুঁড়ে দেওয়া হতো। এবার ‘সেরা ওভার’ আইনে বিকট লক্ষ্য দাঁড়ানো শুরু হলো বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় ইনিংসে। আর তার সবচেয়ে বড় শিকার হলো দক্ষিণ আফ্রিকা। বর্ণবাদের অভিযোগে নিষিদ্ধ থাকা ক্রিকেটের এই দাপুটে দলটি ১৯৯১ সালে আবার আইসিসির অনুমতি পেলো। ফলে তাদের জায়গা দিতে বিশ্বকাপের ফরম্যাটে ব্যাপক রদবদল আনতে হলো। ৯ দলের এই টুর্নামেন্টকে এক গ্রুপের প্রথম পর্বে পরিণত করা হলো; যেখান থেকে সেরা চার দল খেললো সেমিফাইনালে। এই সেমিফাইনালেই ভূতুড়ে বৃষ্টি আইনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আফ্রিকানদের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ১ বলে ২২ রান! এই বিশ্বকাপের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় উপহার ছিল পিঞ্চ হিটার ও পাকিস্তানের রোমাঞ্চকর ক্রিকেট। ফিল্ডিং রেস্ট্রিকশনের সুবিধা নিয়ে ইয়ান বোথাম ও মার্ক গ্রেট ব্যাচরা এক মারকাটারি ব্যাটিং উপহার দিলেন প্রথম ১৫ ওভারে। যার ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। তবে সবাইকে ছাপিয়ে গেল ইমরান খানের উদ্ভাবনী ও আকর্ষণীয় নেতৃত্বে ওয়াসিম আকরাম, ইনজামাম-উল হক, মুশতাক আহমেদের গল্পগাথা। যে গল্প দিয়ে একমাত্র ট্রফিটি ঘরে তুলে ফেললো এই দলটি।