কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পকে ঘিরে বাড়ছে অস্থিরতা

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৪, ২১:৩৬
রমজানের ঈদকে সামনে রেখে উখিয়ার শরণার্থী ক্যাম্প ও তত্সংলগ্ন রোহিঙ্গা বস্তির তালিকাভুক্ত ডাকাত, খুনী সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলে ক্যাম্পের বিরাজমান পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসির মধ্যে বিরাজ করছে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা। কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের রেজিষ্ট্রার্ড ১০ হাজার রোহিঙ্গা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বনভূমির জায়গা দখল করে বসবাস করছে আরো প্রায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নাগরিক। উখিয়া পুলিশ প্রশাসনের তথ্য মতে, ক্যাম্পে খুনী, ডাকাতি, অস্ত্রসহ বিভিন্ন মামলার অর্ধশতাধিক আসামি রয়েছে। যাদের কারণে স্থানীয় গ্রামবাসি শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। কুতুপালং গ্রামে বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সুনীল বড়ুয়া (৩৫), অনিন্দ বড়ুয়া (৪৫) সহ একাধিক লোকজন জানান, ঈদকে সামনে রেখে কুতুপালং ক্যাম্পে বসবাসরত সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠার কারণে বসতবাড়ি ডাকাতির আশংকায় গ্রামবাসির মধ্যে এখন আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয় গ্রামবাসির সাথে কথা বলে জানা যায়, কুতুপালং রেজিষ্ট্রার্ড ক্যাম্প ও রোহিঙ্গা বস্তিকে ঘিরে এক শ্রেণির মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীর নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। মানবপাচারকারী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা ও গ্রামবাসি এ পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। তারা জানান, ক্যাম্পে কতিপয় আইনশৃংখলা বাহিনীর ছত্রচ্ছায়ায় খুনী, ডাকাত, সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া চলাচলের সুযোগ পেয়ে গ্রামবাসিদের পরোয়া করছে না। ক্যাম্প ইনচার্জ সৌরভ হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে ডাকাত, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।