তখন গোটা বিশ্বজুড়েই কমিউনিস্টপন্থী রাশিয়ার দোর্দন্ড প্রতাপ। বিশেষ করে বলকান অঞ্চলের অধিকাংশ দেশই সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে অতি মাত্রায় আগ্রহী। আর ঠিক এমনই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের নিয়ে মস্কোতে এক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলো। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা হাতি সম্পর্কে নানা দৃষ্টিভঙ্গীর প্রমাণ দিয়ে তাদের রচনা প্রতিভার স্বাক্ষর রাখার চেষ্টা করলেন। এতে দেখা গেল,
জার্মানীর প্রতিযোগীর রচনার বিষয় : হাতি পালন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ভূমিকা ।
ইংল্যান্ড :হাতি এবং উপনিবেশ ।
আমেরিকা :হাতি এবং পুঁজিবাদ ।
ফ্রান্স :হাতি এবং প্রেম ।
সোভিয়েত ইউনিয়ন :রাশিয়া - হাতির মাতৃভূমি
বুলগেরিয়া :সোভিয়েত হাতি - বুলগেরিয়হাতির শ্রেষ্ঠ বন্ধু।
খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা আলফ্রেড হিচকক একবার পরিচিত এক ব্যক্তির দাওয়াত পেয়ে রাতের ভোজে যোগ দিলেন। সেখানে অনেক খাবারই ছিল। কিন্তু যে খাবারটি হিচককের সবচেয়ে প্রিয়, তা পরিমাণে খুব কম ছিল। কাজেই মনের ভেতর অতৃপ্তি নিয়ে খাওয়া শেষ করেন তিনি। বিদায় নেওয়ার সময় আয়োজক তাঁকে সৌজন্য দেখিয়ে বলেন, ‘আশা করি, শিগগিরই আবার আপনি আমাদের সঙ্গে খাবেন।’ হিচকক রসিকতা করে তার পছন্দের খাবারের কথা উল্লেখ করে বললেন, ‘প্রিয় খাবারটি পরিমাণে আরও থাকলে তো এখনও আবার আপনাদের সঙ্গে খেতে পারতাম!’
স্কুলে নতুন দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
১ম বন্ধু :পুলিশের হাতে মার খেতে খেতে জীবনটা অতিষ্ঠ হয়ে গেল ।
২য় বন্ধু :কেন রে? তুই চোর নাকি রে?
১ম বন্ধু :আমার বাবা পুলিশ অফিসার।
