দুর্বল শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে পারদর্শী করার লক্ষ্যে ২০১০ সাল থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ২৪টি মাধ্যমিক স্কুল ও ২টি মাদ্রাসায় অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা নেয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি একসেস এন্ড এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) এর আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এটি বাস্তবায়ন শুরু হয়।
বিদ্যালয়ের সময়সূচি মোতাবেক ছুটির দিনে এ ক্লাসগুলো নেয়ার কথা। প্রকল্পের শুরুর দিকে ক্লাস নেয়ার বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকলেও পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের যোগসাজশে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা ক্লাসে উপস্থিতি কমিয়ে দেন। এমনকি মাসে একদিন ক্লাস না নিয়েও তারা বেতন-ভাতা উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন।
এ সব অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি টিম তদন্ত করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে উপজেলার মথরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ওসমানেরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিস প্রদান করে।
মথরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষককে ছুটি দিয়েছি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম পারভেজ জানান, প্রকল্পের শিক্ষকরা ক্লাসে উপস্থিত না থাকার কারণেই কারণ দর্শানো নোটিস দেয়া হয়েছে। কিন্তু কারণ দর্শানোর নোটিস পেয়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা এখন পর্যন্ত কোনো জবাব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে জমা দেননি।
