সপ্তাহব্যাপী জামদানি মেলা শুরু

জামদানি শিল্পনগরীতে নির্ধারিত সময়ে শিল্প স্থাপন না করলে প্লট বাতিল

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২০:৩১
বিসিক স্থাপিত জামদানি শিল্পনগরীতে প্লট বরাদ্দ নিয়ে যেসব উদ্যোক্তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিল্প স্থাপন করবে না, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুন উদ্যোক্তাদের মাঝে প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্পের প্রসারে সরকার নারায়ণগঞ্জ জেলার তারাবো ইউনিয়নের নোয়াপাড়ায় ২০ একর জমির ওপর জামদানি শিল্পনগরী ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। প্রায় ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত শিল্পনগরীতে ৪শ’ ৯টি শিল্প প্লট গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩শ’ ৯৯টি প্লট জামদানি শিল্প উদ্যোক্তাদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। শিল্পমন্ত্রী গতকাল বিসিক আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী জামদানি প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। শিল্প সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিসিক চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, পরিচালক (নক্শা ও বিপণন) নুরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। আমির হোসেন আমু বলেন, এ শিল্পখাত থেকে বছরে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রপ্তানি হচ্ছে। তিনি দেশিয় জামদানি শিল্পের টেকসই বিকাশে গবেষণা জোরদারের পরামর্শ দেন। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বাংলাদেশের জামদানি কোনো আরোপিত শিল্প নয়। হাজার বছর ধরে বাংলাদেশে জামদানি তৈরি হচ্ছে। একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর শিল্প ভাবনা থেকে জামদানি ওঠে এসেছে। তিনি জামদানি শিল্পখাতের গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিসিকের ডিজাইন সেন্টার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। পরে শিল্পমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। ৭ দিনব্যাপী আয়োজিত এ প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ক্রেতা-দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এর জন্য কোনো প্রবেশ মূল্য প্রয়োজন হবে না।