নোয়াখালীর সাড়ে পাঁচ হাজার জেলেকে পুনর্বাসন

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২১:০৬
নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ৪ মাস নোয়াখালীর উপকূলীয় সাড়ে পাঁচ হাজার জেলেকে জনপ্রতি প্রতিমাসে ৪০ কেজি করে চাল প্রদান করে পুনর্বাসিত করেছে। এতে জেলেদের খাদ্যাভাব লাঘব হয়। জানা যায়, ঝাটকা ইলিশ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মার্চ মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত নদী বা সাগরে মাছ ধরা নিষেধ। এ সময়ে জেলেদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য সরকার পুনর্বাসন সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেয়। নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় উপজেলা সূবর্ণচরের চরক্লার্ক, চরজুবলি, চর আমানউল্যা, চরবাটা। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী, বালুরচর, চর ফকিরা, চরকাদেরিয়া, মুছাপুর, চরলেংটা, বামনি, রামপুর। হাতীয়া উপজেলার জাহাজমারা, কেরিংচর, চর নাঙ্গোলীয় সোনাদিয়া এবং সদর উপজেলার চর করমউল্যা, চরমটুয়া, আন্ডার চরে সাড়ে পাঁচ হাজার জেলে পরিবার বাস করে । এ সব জেলেরা নদী ও সাগরে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। মত্স্য দপ্তর নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় সূবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ, হাতীয়া ও সদর উপজেলার এই সাড়ে পাঁচ হাজার জেলেকে মার্চ মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে জনপ্রতি ৪০ কেজি করে চাল প্রদান করে। এতে প্রতি মাসে ২২০ মেট্রিক টন করে ৪ মাসে ৮৮০ মেঃ টন চাল প্রদান করা হয়। এর ফলে জেলেদের খাদ্যের চাহিদা কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে। জেলেদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সরকারি সহায়তায় মোটামুটি খুশি। কিন্তু উপকূলীয় এলাকায় জলদস্যুর দাপটে জেলেরা তটস্ত।