মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২২:৪৮
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাইমুল ইসলাম রিয়াদ হত্যার চার দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কোনো অগ্রগতি হয়নি মামলার তদন্তে। তবে মামলার এজাহার থেকে ছাত্রলীগ নেতাদের নাম বাদ দেয়ার দাবিতে ছাত্রলীগের একাংশ বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। অন্য অংশ আবার হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সোচ্চার রয়েছে। ১৪ জুলাই যবিপ্রবি ছাত্র রিয়াদ খুনের ঘটনায় ১৫ জুলাই ১২ জনের নামে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়। এর মধ্যে আটজনই ছাত্রলীগের নেতা। এরা হলেন জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রওশন ইকবাল শাহী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সজিবুর রহমান, সদস্য এসএম জাবেদ উদ্দিন, জিসান ও কাজল, যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসান। হত্যার পর থেকেই আসামিরা প্রকাশ্য থাকলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই সুযোগে মামলার প্রধান আসামি যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসান ও সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মগোপনে চলে যায়। মঙ্গল ও বুধবার ছাত্রলীগের থানা ঘেরাও এবং বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্য আসামিরা অংশ নিলেও গতকালের কর্মসূচিতে তাদের দেখা যায়নি। আসামি গ্রেফতারে পুলিশের ব্যর্থতার ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশের মুখপাত্র এএসপি রেশমা শারমীন কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপ নেয়ার পরও পুলিশ কেন ব্যবস্থা নেয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এজাহার না হওয়া পর্যন্ত হত্যা মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায় না। কিন্তু এজাহারের পরও শহরে তাদের প্রকাশ্যে দেখা গেছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটাকে পুলিশের ব্যর্থতা বলতে পারেন।’