ভারতের ব্যাঙ্গালোরে এবার ছয় বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। স্কুলে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ করেছে অভিভাবকরা। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বৃহস্পতিবার স্কুলের কয়েকটি কাঁচের দরজা-জানালা ভাংচুর করে। জানা যায়, জুলাই মাসের ২ তারিখ ঐ শিশুটিকে ধর্ষণ করে স্কুলের দুই নিরাপত্তা কর্মী। স্কুল চলাকালে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছে। ধর্ষণের পর শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়। দুই সপ্তাহ পরে ঐ শিশুর অভিভাবকরা অন্যদের জানালে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে কয়েক হাজার অভিভাবক।
ব্যাঙ্গালোর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার টি ডি পায়ার বলেছেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য দোষীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনাটি জুলাই মাসের ২ তারিখ ঘটলেও থানায় অভিযোগ করা হয়েছে ১৪ তারিখ। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার সাথে সাথে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। কারা কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে আমরা সম্ভাব্য সবকিছুই করবো। স্কুলে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া শবনম নামের এক অভিভাবক বলেন, আমরা গতকাল থেকে এখানে বিক্ষোভ করছি কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের উদ্বেগ নিয়ে কর্ণপাত করছে না।
স্কুলটির মালিক রুস্তম কেরাওয়ালা বলেন, পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। তদন্তের স্বার্থে স্কুলের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হাজির করা হবে। তদন্তে সহযোগিতা করতে আমরা সবকিছুই করছি। ২০১২ সালে দিল্লিতে চলন্ত বাসে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মনমোহন সিংয়ের সরকার নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন অনুমোদন করে। ভারতের বড় শহরগুলোর মধ্যে দিল্লিতেই বেশি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
