ভবন নির্মাণে দুর্নীতি ও তদন্তে নিষ্ক্রিয়তা

দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের রুল

আপডেট : ৩০ মে ২০১৯, ০১:০৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পে দুর্নীতির ঘটনায় ভবন নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে নিষ্ক্রিয়তা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মহসীন আহমেদ স্বপন নামের এক ব্যক্তির করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মো. কামাল হোসেন গত সোমবার রুল জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে অনিয়মের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ইত্তেফাকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়তলা একাডেমিক ভবন ১৫তলা করতে ২০১৫ সালে দ্য বিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৪৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। পরে ১২ তলার জন্য সংশোধিত ব্যয় ধরা হয় ৩৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মূল দরপত্রে মোজাইকের কথা বলা হলেও দেওয়া হয় টাইলস। প্রথম দরপত্রে মোজাইকসহ প্রতি তলার ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ কোটি দুই লাখ টাকা। সেই হিসেবে ছয় তলার জন্য ব্যয় হওয়ার কথা ৩০ কোটি ১২ লাখ টাকা। কিন্তু প্রধান প্রকৌশলী ডি এম হানজালার হস্তক্ষেপে দর নির্ধারিত হয় ৭ কোটি টাকা বেশি ৩৭ কোটি ৪০ লাখ টাকায়। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দফায় দফায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে আপত্তির কথা জানান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী।