সিলেটে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৮
প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটে ঈদের বাজার জমে উঠেছে। নগরীর সব মার্কেট, ফ্যাশন হাউস এখন নিত্যনতুন ডিজাইনের ঈদ পোশাকে ভরপুর। ক্রেতার মন জয়ে নানা নাম ও দামের পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। ঈদ বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও দ্রুত বাড়ছে। কিছুদিন আগ পর্যন্তও অনেক ক্রেতা পছন্দের জিনিসটি খুঁজতে এক মার্কেট থেকে আরেক মার্কেট ঘুরে বেড়িয়েছেন। তবে ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, ঘোরাঘুরি আর দেখাদেখি শেষ। কারণ হাতে সময় আর খুব একটা নেই। তাই বিকিকিনি জমে উঠেছে। বিশেষ করে নগরীর ফ্যাশন হাউসগুলোতে এখন তরুণী ও মহিলা-শিশুদের উপচেপড়া ভিড়। শাড়ি, থ্রিপিস, শিশুদের পোশাক বিক্রি হচ্ছে বেশি। পাঞ্জাবি, জিন্স, টি-শার্টের দোকানে নিজের পছন্দেরটি খুঁজছেন ও কিনছেন তরুণরা। সবমিলে ঈদ বাজার এখন সরগরম। তবে বিক্রেতারা বলছেন, এখনো আশানুরূপ জমেনি বাজার। আরো দু’চার দিন পর বিকিকিনির ধুম পড়বে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজারের সিটি সেন্টার, মিলেনিয়াম মার্কেট, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, কাকলি শপিং সিটি, আল হামরা শপিং সিটি, শুকরিয়া মার্কেট, সিলেট প্লাজা, লতিফ সেন্টার, বন্দরবাজারের করিমউল্লাহ মার্কেট, মধুবন মার্কেট, হাসান মার্কেটসহ সব মার্কেটেই ঈদের বাজার জমজমাট। নগরীর নয়াসড়ক ও কুমারপাড়ায় গড়ে উঠা সারি সারি ফ্যাশন হাউসে তরুণী, মহিলাদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। এসব ফ্যাশন হাউসে বিকিকিনিও ভালো হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নতুন নতুন ডিজাইনের জামাকাপড় তারা দোকানে তুলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ছবি ও নায়ক-নায়িকার নামের থ্রিপিস। আধুনিক ডিজাইনের শাড়ি, পাঞ্জাবি, শিশুদের জামা, শার্ট ও প্যান্ট। মহিলাদের শাড়ি, তরুণীদের থ্রিপিস ও শিশুদের পোশাক এখন বেশি বিক্রি হচ্ছে। ব্লু ওয়াটার মার্কেটের উত্স ফ্যাশনের ব্যবসায়ী উজ্জল জানান, ঈদ যতো ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের উপস্থিতি ও বিকিকিনিও ততো বাড়ছে। এদিকে ঈদ বাজারকে সামনে রেখে ছিনতাই, চুরি, ইভটিজিংসহ সবধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় বড় মার্কেটে ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অনেক মার্কেটে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নগরীতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার রহমতউল্লাহ জানান, পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন বিশেষ পরিকল্পনায় কাজ করে যাচ্ছে। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারীসহ চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।