একাত্তরে অপরাধী সংগঠনের বিচারে আইন সংশোধনের খসড়া

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৪, ২২:৩৮
মুক্তিযুদ্ধের অপরাধী সংগঠন বা দলের বিচার ও শাস্তির বিধান রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন সংশোধনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। দল বা সংগঠনের বিচার নিয়ে যাতে সমালোচনা না হয় সেজন্যই এই সংশোধনী আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনে শাস্তির বিধান না থাকায় প্রশ্ন ওঠার পর এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ব্যক্তির পাশাপাশি দল ও সংগঠনের বিচার ও শাস্তির বিধান রেখে খসড়া তৈরির পর তার চূড়ান্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সংগঠনের বিচার করার ক্ষেত্রে আইন নিয়ে যাতে বিতর্ক তৈরি না হয় সেজন্য কাজ করা হচ্ছে। এই সংশোধনের প্রস্তাব ঈদের পরই মন্ত্রিসভায় উত্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি চাওয়া হবে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের পর জামায়াতে ইসলামীর বিচার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, সংগঠনের বিচারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কিছু ত্রুটি রয়েছে। তারা এই ত্রুটি সংশোধন করতে চান। এরপর থেকে জামায়াতের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিলের প্রক্রিয়া থেমে যায়। উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ মার্চ একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শেষ করে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্ত প্রতিবেদনে জামায়াতের বিরুদ্ধে সাত ধরনের অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অপরাধ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস আইনের ৩ (২) ও ৪ এর (১) ও (২) ধারার আওতাভুক্ত বলে দাবি করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলনে তদন্ত সংস্থা জামায়াতে ইসলামী ও দৈনিক সংগ্রাম নিষিদ্ধ এবং এইসব প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়েছিল যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারী সংস্থা।