ফুলবাড়ি-দিনাজপুর মহাসড়কে ঢাকাগামী নৈশকোচে ডাকাতি

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৪, ২১:৩১
দিনাজপুরের ফুলবাড়ি-দিনাজপুর মহাসড়কের বেজাই মিশন নামক স্থানে শুক্রবার রাতে দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী নাবিল এন্টারপ্রাইজ নৈশকোচে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এতে কোচের চালক-হেলপারসহ যাত্রীদের নগদ অর্থসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। যাত্রীদের অভিযোগ ডাকাতদল ৩০ মিনিট ধরে কোচ ডাকাতি করলেও সেখানে কোন পুলিশকে পাওয়া যায়নি। কোচের চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ঐদিন রাত সাড়ে ১১টায় নাবিল নামের নৈশকোচের যাত্রী নিয়ে দিনাজপুর থেকে রওনা দেন। কোচটি রাত ১২টায় ফুলবাড়ির বজাই মিশন নামক স্থানে আসার সাথে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে কোচটির পথরোধ করে অস্ত্রের মুখে চালক-হেলপারসহ যাত্রীদের মারপিটসহ জিম্মি করে সব কিছু ছিনিয়ে নেয়। নাবিল কোচের স্থানীয় এজেন্ট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, রাতে কোচ ডাকাতির কারণে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সড়কে নিরাপত্তা না থাকলে রাতে কোচগুলোতে যাত্রী সংখ্যা কমে যাবে। এতে পরিবহন ব্যবসায়ীরা আর্থিক লোকসানের মুখে পড়বেন। ফুলবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবিএম রেজাউল ইসলাম বলেন, যে স্থানে কোচ ডাকাতি হয়েছে, সেটি ফুলবাড়ি এলাকা নয় সেটি পার্বতীপুর এলাকা। গাংনীর হাড়িয়াদহ মালশাদহ রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতি গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা \ রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনতা ৪ ডাকাতকে আটক করে গণধোলাই শেষে গাংনী থানা পুলিশে সোপর্দ করেছেন। আটক ডাকাতরা হলো, গাংনী থানা পাড়া এলাকার আত্তাব আলীর ছেলে আক্তারুল ইসলাম (৩৫), আবুল কালামের ছেলে কাবিরুল ইসলাম (২৬), একই উপজেলার গোপালনগর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে রেজাউল হক (২৭) ও একই গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে খোকন (২৩)। এদের মধ্যে রেজাউল হক ও খোকনকে গণপিটুনী দেয়ায় তাদের পুলিশের প্রহরায় গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। গাংনী থানার ওসি রিয়াজুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের হাত থেকে ৪ জনকে উদ্ধার করে ২ জনকে থানায় ও ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।