ফুলবাড়ীয়া উপজেলার শালবনের পাহাড়ী লাল মাটিতে আবাদ করা আনারস রাসায়নিক দিয়ে পাকিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন চাষিরা। রোজা চলায় আনারসের চাহিদা কম। দামও অন্যান্য বছরের তুলনায় কম।
উপজেলার নাওগাঁও, রাঙামাটিয়া ও এনায়েতপুর ইউনিয়নের শালবনের পাহাড়ী লাল মাটিতে ১২৮০ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। এবার আনারস উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪শ’ টন।
উপজেলার শালবনের লাল মাটিতে আবাদ করা আনারস এক সাথে রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পাকিয়ে এবার বেকায়দায় পড়েছেন চাষিরা। রোজা থাকায় আনারসের চাহিদা কমের কথা বলে পাইকাররা এর দাম কম বলছেন।
কেশরগঞ্জ বাজারের কীটনাশক বিক্রেতা জানান, ক্যালসিয়াম কার্বোরাইড ও ইথোফনের উপাদানে তৈরি ৬ প্রকার হরমোন আনারসসহ সকল ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয়। ক্যামিক্যাল কোম্পানি প্রতিনিধিরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে চাষিদের ফল পাকানো রাসায়নিকের কথা বলে আসেন।
আনারস চাষিরা জানান, অনেক সময় পাইকাররা আনারস ট্রাকে লোড করার সময় ক্ষতিকর রাসায়নিক স্প্রে করে থাকে। স্প্রে করার ১২/১৩ ঘন্টা পর আনারস পেকে হলুদ হয়ে যায়। পাকা আনারস দীর্ঘদিন সংরক্ষই করার জন্য পাইকাররা আনারসে ফরমালিন দিয়ে থাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাইকার জানান, আনারসের আড়তে সাধারইত ফরমালিন দেয়া হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল বাশার জানান, ফরমালিন ও হরমোন ক্ষতিকারক হলেও সরকারিভাবে অনুমোদন রয়েছে। তাই তারা কিছু করতে পারছে না।
