গল্প নয় সত্যি

লোপেজের নামে কীটের নাম!

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৪, ২০:৩১
খ্যাতনামা তারকাদের নামে হোটেল কিংবা ফ্যাশনেবল কোনো পণ্যের নামকরণের ঘটনা নতুন নয়। বরং এ ধরনের নামকরণ প্রায়শই বাড়তি মুনাফার নিশ্চয়তা দেয় বলে তারকারা যেমন আগ্রহ নিয়ে অর্থের বিনিময়ে এ জাতীয় উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হন, তেমনি উদ্যোক্তারাও আগ্রহ দেখান নামজাদা তারকাদের ব্যবহার করে পণ্যের বিপণন নিশ্চিত করতে। যদিও এ ধারার বাইরে বেরিয়ে সম্প্রতি তারকাদের নামে নামকরণের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণই তৈরি করেছেন আমেরিকার পুয়ের্টো রিকোর একদল বিজ্ঞানী। ভ্লাদিমির পেসিক নামের তরুণ এক বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে কাজ করা ইউনিভার্সিটি অব মন্টেনেগ্রোর এই গবেষকরা এবার পানির একটি কীটের নাম রেখেছেন জনপ্রিয় পপ তারকা জেনিফার লোপেজের নামে। মোনা প্যাসেজ নামের যে জলধারাটি পুয়ের্টো রিকোকে ডমিনিকান রিপাবলিক থেকে আলাদা করে রেখেছে সেই প্যাসেজে অবস্থিত প্রবাল প্রাচীরের মাঝেই পাওয়া গেছে ‘লিটারাচনা লোপেজি’ নামের এই জীবানুটি। এ ধরনের নামকরণের কারণ ব্যখ্যা করতে যেয়ে পেসিক জানিয়েছেন, এই কীটটি নিয়ে যখন তারা গবেষণা করছিলেন তখন জেনিফার লোপেজের গান খুব শোনা হতো তাদের। এ ছাড়া এই শিল্পীর বিভিন্ন গান ও ভিডিও তাদেরকে গবেষণা পত্রটি লেখার সময় এবং সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ দেখার সময় বেশ চাঙ্গা রেখেছিল বলেও দাবী ভ্লাদিমির পেসিকের। তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপে একজন ইউরোপিয়ান হিসেবে তিনি যেখানে জার্মানিকে সমর্থন করেছিলেন সেখানে তার সহযোগী অন্যসব গবেষকদের পছন্দ ছিল একেবারেই ভিন্নতর। তবে জেনিফার লোপেজের গান তাদের সবাইকেই এক করে দিতো। আর জেলো’র প্রতি এই ঋণ শোধ করতেই তার নামে কীটটির নামকরণ করেন ভ্লাদিমির। উল্লেখ্য, পানির প্রায় ২৩০ ফুট গভীরে পাওয়া এই কীটটির নামকরণই এ ধরনের প্রথম নামকরণ নয়। বরং ইতোপূর্বে র্যাগে সম্রাট বব মার্লে, ইউটু ব্যান্ডের বোনো এবং ইংরেজ গায়ক মিক জ্যাগারসহ বেশ ক’জন শিল্পীর নামেই বিভিন্ন ধরনের অর্গানিজমের নাম করেছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও ইতোপূর্বে জেনিফার লোপেজের নামে একটি সফল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডের নামকরণ হলেও বিজ্ঞানীদের গবেষণাতে স্বনামে ঠাঁই করে নেওয়ার ঘটনা জেলো’র জন্য এবারই প্রথম।