কুমিল্লায় জমজমাট ঈদ বাজার

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৪, ২১:২৫
কুমিল্লায় জমে উঠছে ঈদ বাজার। বাচ্চা থেকে সব বয়সের মানুষের পদচারণায় কুমিল্লার বিভিন্ন মার্কেট সকাল থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত থাকে মুখরিত। গত শুক্র ও শনিবার ছুটির দিন থাকায় কুমিল্লা নগরীর মার্কেটগুলোতে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। নগরীর কান্দিরপাড় সাত্তার খান কমপ্লেক্স, খন্দকার হক টাওয়ার, ময়নামতি গোল্ডেন টাওয়ার, চৌরঙ্গী শপিং সেন্টার, হোসনেআরা ম্যানসন, সাইবার ট্রেড, নূর মার্কেট, রামঘাট এলাকায় কুমিল্লা টাওয়ার, রেইসকোর্সে ইস্টার্ন এয়াকুব প্লাজা, নিশা সেল টাওয়ার শপিং জোন ও নগরীর নজরুল এভিনিউতে আড়ং শো-রুমে তরুণীদের ভিড় বেশি। এ ছাড়া টাউন হল সুপার মার্কেট, রোসা সুপার মার্কেট, কুমিল্লা টাউন হল মাঠের হকার্স ঈদ মেলাসহ কাপড়িয়াপট্টি, রাজগঞ্জ, মনোহরপুর, পুলিশ লাইন ও কান্দিরপাড়ের বেশকিছু রেডিমেইড পোশাকের দোকানে দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের থ্রি-পিস স্থান পেয়েছে। ফ্লোরটার্চ ও সেমিলং কামিজের জন্য ভারতের তৈরি নামিদামি ব্র্যান্ডের সূতি কাপড়ের থ্রি-পিসের মধ্যে জিনাম, মারিয়াবি, শাহিনুর পায়েল, শাহীবা, জেরিন, ইয়াসিকি, গঙ্গা এবং জর্জেটের মধ্যে খোয়াব, কারিনা, শবনম, কাহানী, রিভা, জালজালা, জুবায়েদা, কিমুরা, কারিশমা, বিবেক, কাসিস, মিক্সি ও ছাইয়েদেনাসহ পাকিস্তানী সূতি, জামদানী ও কাশ্মীরি চুন্ডি কাপড়ের থ্রি-পিস দোকানগুলোতে স্থান পেয়েছে। এ সব থ্রি-পিস ৩ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নগরীর সাত্তার খান কমপ্লেক্সের মেডোনা ফেব্রিক্সের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এবার থ্রি-পিসের চাহিদা অনেক বেশি এবং ক্রেতাদের কাছে দাম বিষয় নয়, পছন্দসই হলেই হলো। টিটু চ্যাম্পিয়ন ২৫ থেকে ৩৫ হাজার ও পাখি ১২ থেকে ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পল্লবী ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার, এলিন সাড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার, আকশেরা ১২ থেকে ১৫ হাজার, আশিষ ৮ থেকে ১২ হাজার, গঙ্গা ৫ থেকে ৮ হাজার, অপেরা ৮ থেকে ১২ হাজার, লুঙ্গিডেন্স ৩ থেকে ৫ হাজার বিক্রি করা হচ্ছে। জালজালা ৮ থেকে ১৬ হাজার, একই দরের ইয়াসিকি, ৬ থেকে ১২ হাজার শাহিবা, ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকায় খোয়াব, ৭ থেকে ১০ হাজারে কাহানী, নেটের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ১২ হাজার টাকায়, কটনের মধ্যে জিনাম ৪ থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকায়, বিভা ৩ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকায়, জেরিন ৩ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায়, সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় কাশ্মিরী এবং ৭ থেকে ১২ হাজার টাকায় পাকিস্তানী ব্রান্ড সানা সাফিনা থ্রি-পিস ও ভারতীয় লেহেঙ্গা ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বাজিমাত সৃষ্টি করেছে। ক্রেতা ফরিদা ইয়াসমীন, পারভীন সুলতানা, নাসরীন আক্তার, কলেজ ছাত্রী স্বর্ণা বলেন, এবার বিভিন্ন ডিজাইনের ড্রেস চাহিদানুযায়ী অনেকটা সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। শিশু ও মেয়েদের সন্তুষ্টি অর্জনে পোশাক কিনে হাসি মুখেই তারা বাড়ি ফিরছেন। মনোহরপুর নূর মার্কেটের থ্রি-পিস সেন্টার রিলেশানের পরিচালক আলী হায়দার কামাল জানান, ক্রেতাদের কাছে ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। এ ছাড়া পাকিস্তানি, কাশ্মিরী কিছু নতুন ডিজাইন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। এবারে ফ্লোরটার্চ, কোর্তা ও আগের সেমিলং প্যাটার্নের থ্রি-পিস তরুণীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।