মংলা পৌরসভা মেয়র জুলফিকার আলীর স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভিজিএফের চাল আত্মসাতের চেষ্টাকালে বিনয় নামের এক যুবককে শনিবার হাতেনাতে আটক করেছে কর্তৃপক্ষ। পরে সন্ধ্যায় তাকে মংলা থানায় হস্থান্তর করা হয়। পৌরসভা প্যানেল মেয়র আলাউদ্দিন জানান- রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারিভাবে এবার মংলা পৌরসভার জন্য প্রায় ৪৬ টন চাল বরাদ্দ হয়। এর জন্য মেয়রের স্বাক্ষর দিয়ে ১০ কেজি করে ৪৬২১ পরিবারের ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে পৌরসভা থেকে চাল বিতরণের সময় মেয়রের স্বাক্ষর জাল করে আনা ৪টি ভিজিএফ কার্ড উদ্ধার করে। জাল কার্ডগুলোকে কেওড়াতলার সামছুন নাহার, খাদিজা বেগম, আকলিমা বেগম, বিলকিম বেগমের নামে বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিনয় নামে একজনকে আটক করে থানায় দেয়া হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক বিনয় জানায়, শহরতলির মিয়া পাড়ার বাদশা মিয়া ওরফে সুদি বাসুর ছেলে আবুল সোহাগ কম্পিউটার দোকান হতে মেয়রের দেয়া স্লিপ স্ক্যান করে এবং স্বাক্ষর জাল করে তাকে দিয়ে ভিজিএফের চাল আত্মসাতের চেষ্টা করে।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের
২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মংলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় ৬টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪ দলীয় জোট সরকার গঠন করার পর সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, অত্যাচার, নির্যাতন, লুটপাটের ঘটনায় ২০০৯ সালে একটি কমিশন গঠিত হয়। সম্প্রতি কমিশন মো. সাহাবুদ্দিন শক্ষুর দায়েরকৃত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় মংলা থানায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদীরা হলেন, মংলার বুড়বুড়িয়া, দিগরাজ ও মাদুরপাল্টা গ্রামের জয়দেব কবিরাজ, নিতুল মন্ডল, দিয়েল হালদার, পঙ্কজ মিস্ত্রী, দীপংকর ও মনজ মহুলী। প্রতিটি মামলায় বিএনপির ১৫/২০জন নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
