ঈদে চাই বাহারি গহনা

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৪, ২০:০১
ঈদে নতুন পোশাকের সঙ্গে চাই নতুন গহনা। উচ্চবিত্তের নজর এবার হীরা আর সোনার গহনায়। অন্যদিকে মধ্যবিত্তরা রুপার ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া আর ইমিটেশনের গহনা কিনছেন বেশি। তবে কেউ কেউ হীরার কানের টপস, নাকফুল আর লকেটও কিনছেন। রাজধানীর চাঁদনীচক, নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, মৌচাক মার্কেট ঘুরে দেখা যায় হীরার চেয়ে সোনার গহনা বেশি বিক্রি হচ্ছে। উচ্চবিত্ত তো বটেই মধ্যবিত্তদের মধ্যেও কেউ কেউ হীরার গহনা কিনছেন। নারীর পছন্দের গহনার খোঁজখবর নিয়ে এবারের আয়োজন। লিখেছেন সাদিয়া ইসলাম আ প ন জু য়ে লা র্স সোনার গহনা নারী সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই যুগে যুগে নারীর প্রথম পছন্দের অলঙ্কার সোনার গহনা। বিয়ে থেকে শুরু করে যেকোনো উত্সবে বা জমকালো অনুষ্ঠানে মেয়েরা সোনার গহনা পরতে ভালোবাসে। বর্তমানে সোনার গহনা সোনালি রং ছাড়াও হোয়াইট গোল্ডের চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন রঙের গহনা কেনার পরও হোয়াইট গোল্ডের দুটো চুড়ি কিংবা এক জোড়া কানের দুল কিনছেন অনেকে। হীরা কিংবা মুক্তার সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে হোয়াইট গোল্ড। বর্তমানে সোনার গহনার সঙ্গে সঙ্গে হীরার গহনাও বাঙালি নারীদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এটা অনেকটা অভিজাত্যের প্রতীক। তাই সোনার গহনার পাশাপাশি হীরার গহনার প্রতি আজকাল তরুণীদের একটা বিশেষ ঝোঁক লক্ষ করা যায়। হীরার গহনার মধ্যে ছোট ছোট নকশার গহনাগুলোই ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে হীরার আংটি, নাকফুল আর কানের দুলের চাহিদাই বেশি। তবে অনেকে আবার হীরার লকেট পরতেই বেশি পছন্দ করেন। আমাদের দেশে যেসব হীরা পাওয়া যায় সেগুলো মূলত ভারত, সিঙ্গাপুর, বেলজিয়াম ও দুবাই থেকে আসে। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের সবচেয়ে বড় জুয়েলারি হাউস আপন জুয়েলার্স ডায়মন্ডের উপর ক্রেতাদের জন্য দিচ্ছে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফার। এই অফারে আপন জুয়েলার্সের ডায়মন্ডের উপর ৩০% ডিসকাউন্টের ঘোষণা করেছে। এখানে বিভিন্ন রকমের ডায়মন্ড জুয়েলারির মধ্যে নেকলেস সেট, ফিংগার রিং, চুড়ি, ব্যাঙ্গল, লকেট সেট, ইয়ার রিং, নোস পিন, প্লাটিনাম রিং, লকেট ইত্যাদি কম মূল্যে পাওয়া যাবে। ক্রেতাদের জন্য এই অফার চলবে ঈদ পর্যন্ত। আপনার পছন্দের গহনার কিনতে যেতে পারেন আপন জুয়ের্লাসের শাখাগুলোতে। গী তা ঞ্জ লি জু য়ে লা র্স অনেকে হয়তো জানেন, শরীরের একেকটি অঙ্গের জন্য বিভিন্ন গহনা রয়েছে। যেমন—গলায় জড়াতে পারেন অর্ধহার, চন্দ্রহার, পাটিহার, চারনরী, পাঁচনরী, সাতনরী, গোটহার, প্রালম্বক, একাবলি, কণ্ঠী, মধ্যমণি, ফুলোহার, মতিহার, রশ্মিমালা, চেন, মালা, নেকলেস, লকেট, শেলি, হাঁসুলি ইত্যাদি। কানে পরতে পারেন কর্ণপালি, কণিকা, কর্ণদর্পণ, কর্ণপুর, ইয়াররিং, কর্ণমালা, কানবালা, ঝুমকা, টব, চৌদামি, বারবৌরি, দুল, মাকড়ি ইত্যাদি। হাতের শোভা বাড়াবে চুড়ি, কঙ্কণ, বালা, আর্মলেট, বাউটি, ব্রেসলেট, বাহুবন্ধ, বাজুবন্ধ, পইছা, মানতাসা, প্রতিশর ইত্যাদি। মাথায় পরুন মুকুট, তাজ, সিঁথিমোর, কিরীট, শেখর, শিরোমণি, টোপর, কলগা, মোর, মৌলি ইত্যাদি। নাকে নথ, নোলক, নাকসোনা, নাকছাবি, বেশর, টানা ইত্যাদি পরতে পারেন। কোমরে জড়াতে পারেন কিঞ্চিনি, কোমরবন্ধ, কটিসূত্র, কটিবন্ধ, চন্দ্রহার, বিছা, মেখলা ইত্যাদি। আর পায়ে পরতে পারেন নূপুর, ঘুঙুর, পায়জোর, মল, গুঁড়বাঁধ, আনোট, তোড়া গুজারি, পাষক ইত্যাদি। ঈদ উপলক্ষে বৈচিত্র্যময় আধুনিক ডিজাইনের নতুন নতুন আকর্ষণীয় অলংকারে সাজিয়ে তুলেছে গুলশান পিংকসিটির গীতাঞ্জলি জুয়েলার্স। এই পবিত্র রমজানে আকর্ষণীয় ডিজাইনের ডায়মন্ড জুয়েলারির উপর ক্রেতারা পাচ্ছে ৩৫% পর্যন্ত ছাড়। এখানে বিভিন্ন ডায়মন্ড জুয়েলারির মধ্যে নেকলেস সেট, ফিংগার রিং, ইয়ার রিং, নোস পিন, প্লাটিনাম রিং, ডায়মন্ড লকেট ইত্যাদি কম মূল্যে পাওয়া যাবে। এ অফার চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত। আপনার পছন্দের গহনার কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন গীতাঞ্জলি জুয়েলার্সের বিভিন্ন শোরুমে। টিপস গহনা নামটা শুনলেই আনন্দে নেচে ওঠে প্রত্যেকটা মেয়ের মন। গহনা কার না পছন্দ? ছোট্ট মেয়েটি থেকে দাদিমা, সবার কাছেই সমান আদরের। শুধু গহনা কিনলেই হবে না, তার সঠিকভাবে যত্নও নিতে হবে। তবেই না বহু বছর আপনার সোনার গহনাটি সুন্দর থাকবে। সোনার গহনা খুব সহজে কালচে না হলেও নোংরা হয় খুব সহজেই। তাই আপনার পছন্দের সোনার মূল্যবান আংটি, ব্রেসলেট, নেকলেস এবং অন্য জুয়েলারিগুলো পরিষ্কার করতে পারেন নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে—  একটি পাত্রে হালকা গরম পানি আর কিছু পরিমাণ তরল ডিটারজেন্ট নিয়ে ভালোভাবে মেশান।  এইবার গহনাগুলো ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন এই মিশ্রণে।  একটি নরম টুথব্রাশ দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষে ময়লা পরিষ্কার করুন।  এরপর পরিষ্কার হালকা গরম পানিতে ধুয়ে উঠিয়ে নিন।  সবশেষে একটি নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে শুকিয়ে ফেলুন । এছাড়া সোনার গহনা অনেকদিন ব্যবহারে উজ্জ্বলতা হারালে গহনার দোকানে গিয়ে আবার পলিশ করিয়ে আনলে, গহনা তার আগের উজ্জ্বলতা ফিরে পায়।