দৌলতপুরে দপ্তরি নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৪, ২১:২৬
দৌলতপুর উপজেলার ৩নং বিলগাথুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে ৪ জন প্রার্থী আবেদন করে। গত ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ফয়সাল আহমেদ প্রথম হয়। লালন হোসেন অপেক্ষমান ১ ও লিখন আলী অপেক্ষমান ২সহ যাচাই-বাছাই কমিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করেন। কিন্তু পরীক্ষার ৩ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ফয়সাল আহম্মেদ কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত আবেদন করে। এরপর ২৪ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেনের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করা হলে তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে ব্যবস্থা নেবার নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জ্যোতির্ময় বর্মন গত ২৬ জুন জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়াকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম প্রহরী পদে নিয়োগের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবার জন্য পত্র প্রেরণ করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে পিছনের তারিখে নিয়োগ অনুমোদনকারী কর্মকর্তা ও দৌলতপুর ইউএনও মোকতার হোসেন ২২ জুন তারিখে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী লালন হোসেনের নিয়োগ অনুমোদন করেন। গত ৭ জুলাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ অনুমোদনের চিঠি দিয়ে অনুমোদনকারী ব্যক্তিকে যোগদান করানোর নির্দেশ দিলে ৮ জুলাই মঙ্গলবার লালন হোসেনকে যোগদান করানো হয় বলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু সুফি মো. মুসা জানান। প্রথম স্থান অধিকারী ফয়সাল আহমেদের পিতা আব্দুল জলিল জানান, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী লালন হোসেনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইউএনও মোকতার হোসেন জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্যের লিখিত সুপারিশের ভিত্তিতেই দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোন অভিযোগ বা নির্দেশনা পেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।