পার্বত্য রামগড় উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি পল্লীতে ব্যাপকহারে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। সেনাবাহিনী আক্রান্ত এলাকায় ভ্রাম্যমান চিকিত্সা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র,খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানীয় জল বিতরণ করছে। সিন্ধুকছড়ি সেনা জোন গত ৩-৪ দিনে কমপক্ষে ২০০জন রোগীকে চিকিত্সা দিয়েছে। ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
গুইমারা রিজিয়নের ৪ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী সিন্দুুকছড়ি জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল রাব্বী আহসান ইত্তেফাককে জানান,অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল টিম প্রতিদিনই চিকিত্সা সেবা প্রদান করছে। তিনি জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ২০০জন ডায়রিযা রোগীকে চিকিত্সা ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেয়া হয়েছে। এছাড়া ৩০ জন গুরুতর অসুস্থ রোগীকে জোন মেডিক্যালের ইনডোরে ভর্তি করে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। খাল,ছড়ার দুষিত পানি পান করে এরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। তাই সিন্ধুকছড়ি জোনের উদ্যোগে প্রত্যন্ত পল্লীতে বিশুদ্ধ পানীয় জলও বিতরণ করা হচ্ছে।
এদিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খায়রুল আলম জানান, হাফছড়ির সিন্ধুকছড়ি ও নাইক্রাই এলাকা থেকে কয়েকজন রোগী তাঁর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিত্সা নিয়েছেন। হাফছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা জানান, এ ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি পল্লী সিন্ধুকছড়ি মুখ পাড়া,পঙ্খীমুড়া,সিন্ধুকছড়ি বাজার এলাকা ও নাক্রাইসহ কয়েকটি প্রত্যন্ত গ্রামে হঠাত্ করে ডায়রিয়া দেখা দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হারুণ অর রশিদের সাথে ফোনে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাফছড়ির পাহাড়ি গ্রামগুলোতে ডায়রিয়া প্রার্দূভাবের কোন খবর তাঁর জানা নেই।
