নাগেশ্বরী সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ২০১২ সালের নভেম্বর থেকে বালাম বই না থাকায় ৫১ জন নকলনবীস সম্পূর্ণ বেকার। এ কারণে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত ভলিউম ছাড়া পড়ে আছে ২৫ হাজার ১৩৯ খানা দলিল। বিভিন্ন সময় যথাযথ মাধ্যমে বালাম বই চেয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু এখনো পাওয়া যায়নি।
নকলনবীস বিলকিছ আক্তার, মর্জিনা খাতুন, ফাহমিদা বেগম, খালেদা আক্তার, আনিছুর রহমান, চাঁদ মিয়া, বাদশাহ, আব্দুল মান্নানসহ অনেকে বলেন, এ খাত থেকে সরকারের কোষাগারে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব জমা হয়। অথচ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা আজও অবহেলিত। আগে বালাম বইয়ের প্রতি পৃষ্ঠা লিখে ১৫ টাকা পেলেও ২০১৪ সালের মে থেকে সরকার প্রতি পৃষ্ঠা ২৪ টাকা নির্ধারণ করায় তারা নতুন স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু প্রায় দুই বছর অফিসে বালাম বই না থাকায় লেখার পারিশ্রমিক প্রতি পৃষ্ঠা ৯ টাকা বাড়লেও তা কোন কাজে আসছে না। কাজ না থাকায় উপার্জন বন্ধ। ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। ঈদ আসন্ন হলেও পরিবারের কারো জন্য কোন কেনাকাটা করা সম্ভব হয়নি।
