বরগুনায় ঈদের কেনাকাটা এখন জমজমাট। কেউ কিনছে শাড়ি, লুঙ্গি, প্যান্ট, পাঞ্জাবি। কেউবা প্রসাধনী। ভিড় জমেছে জুতা সেন্ডেলের দোকানে। ক্রেতা বেশি হওয়ায় মোবাইল ফোনের দাম বেড়েছে প্রতিসেটে দু’তিনশ টাকা। গ্রামের স্বল্প আয়ের মানুষ ভিড় জমিয়েছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। প্রতিদিন বেচাকেনা চলছে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত।
ভরা বর্ষা মৌসুমে এবছর ঈদ হলেও রমজানের প্রথম থেকেই বরগুনায় শুরু হয়েছে কেনাকাটা। ক্রেতারা জানান, ভিড় এড়াতে আগে ভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন তারা।
গতকাল সোমবার বরগুনা শহরের প্রতিটি শাড়ি কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানে নারী-পুরুষ, ছেলে-বুড়ো, কিশোর-কিশোরী ও শিশু ক্রেতাদের উপছে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ইসলামিয়া বস্ত্রালয়ের মালিক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, এবছর ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা দামের টাপুর-টুপুর, বাহা প্রভৃতি নামের জামদানি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশি। ছাপার সুতির শাড়িরও বেচাকেনা ভাল। পাশাপাশি পরী, ঝিলিকসহ হরেক নামের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে বেশ। দাম ৬ শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা।
ফ্যাশন ভিউ’র মালিক মঞ্জুর মোর্শ্বেদ জানান, এ বছর পাখি, প্যাম, ফ্লোরটাচ নামের মেয়েদের সেলোয়ার কামিজ বেশি বিক্রি হচ্ছে। দাম ১২শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা। ইন্ডিয়ান জিন্স প্যান্ট ও হরেক রঙের পাঞ্জাবী ছেলেদের বেশি পছন্দ। দাম ৬শ’ থেকে ২ হাজার টাকা।
অপূর্ব সু-হাউস, লাভলী সু-হাউজ, হাসান সু-হাউস, বাটা সু-স্টোরে ৩ শ’ থেকে ৬শ’ টাকা দামের জুতা ও সেন্ডেল বেশি বিক্রি হচ্ছে। প্রশাধনী সামগ্রী ও ইমিটেশন গহনার দোকানগুলোতে ভিড় লেগেছে যুবতী-কিশোরী ও শিশুদের।
