কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম তার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না। মাসে একবার কর্মস্থলে উপস্থিত হন, তাও আবার যেদিন উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভা থাকে। এর বাইরে মাসের বাকি দিনগুলোতে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন।
অফিসের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী আনোয়ারুল আল আমিন গত বৃহস্পতিবার বলেন, ‘স্যার তো উলিপুরে আছেন। বেশির ভাগ সময়ে স্যার উলিপুরেই থাকেন।’ কথা বলে জানা গেল কর্মকর্তার স্ত্রী উলিপুরে একটা চাকরি করেন। আরেক কর্মচারী জানান, স্যার তিন মাসে মাত্র দুইদিন অফিসে আসছিল। আমরাই উলিপুরে গিয়ে কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আসি।
কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার কাজ তো আর বন্ধ নেই। মোবাইল ফোনে সব সময় খোঁজ-খবর রাখি এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সব সভায় অংশ গ্রহণ করি। কোনো সমস্যা হলেই চলে যাই কর্মস্থলে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খান সাংবাদিকদের জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কার্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না, এ বিষয় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
