জোকস

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৪, ২০:৩৮
 জামাল সাহেবের বেশ বযস হয়েছে। অসুক-বিসুখেও কাবু হয়ে গেছেন। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন খারাপ কিছু হয়ে যাওয়ার আগেই সব দেনা-পাওনার কথা ছেলে আর ছেলের বৌকে বুঝিয়ে যাবেন। যথারীতি একদিন সকালে ছেলেকে কাগজ কলম নিয়ে বসতে বলে তিনি বলা শুরু করলেন, ‘লেখ, পাশের বাড়ির আলিম সাহেবের কাছে পাঁচ হাজার টাকা পাবো, আমার বন্ধু সেলিমের কাছে পাবো তিন হাজার টাকা, সমিতিতে আমার নামে জমা আছে আড়াই হাজার টাকা আর...।’ জামাল সাহেবের কথার এই পর্যায়ে ছেলের বৌ খুশি হয়ে বলে উঠলো, ‘দেখেছ এই বয়সেও বাবার স্মৃতিশক্তি কত প্রখর!’ খানিকটা বিরতি নিয়ে জামাল সাহেব আবার শুরু করলেন, ‘সামনের চালের দোকানে পাবে তিন হাজার টাকা, মুদি দোকানে ১৬০০ টাকা, সামাদ সাহেব পাবেন সাড়ে চার হাজার টাকা, তোমার ফুপি পাবেন ২৪০০ টাকা...। ’ কথার এই পর্যায়ে জামাল সাহেবকে থামিয়ে দিয়ে ছেলের বৌ আবারও বলে উঠলেন, ‘বাবা আমার মনে হয় আপনার একটু বিশ্রাম দরকার। একসাথে অনেক কিছু মনে করতে যেয়ে আপনার মাথার উপর চাপ পড়ছে তো তাই আপনি প্রলাপ বকছেন!’  উলের সোয়েটার কিনতে এক লোক দোকানে গেলেন। দোকানি সোয়েটার বার করে দিল। দেখে লোকটি বলল, উল কোথায়? এতে তো লেখা রয়েছে কটন সোয়েটার। দোকানি বলল, ওটা পোকাগুলোকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য।  সান্তার ছাতায় একটা ছিদ্র দেখে বান্তা তার কাছে জানতে চাইলো- ‘কি রে সান্তা তোর ছাতায় একটা ছিদ্র কেন? এটা পাল্টে ভালো একটা ছাতা নিলেই পারিস!’ ‘আরে ছাতাটা তো ভালোই ছিল। আমিই তো ইচ্ছা করে এতে ছিদ্র করে নিয়েছি। তা নাহলে বৃষ্টি যখন শেষ হয়ে যাবে তখন আমি চট করে কীভাবে বুঝবো যে বৃষ্টি শেষ হয়ে গেছে!’-বান্তার জবাব।