নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রকল্প অফিস সীমাহীন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। বরাদ্দ প্রতি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পরিশোধ না করলে ডিও লেটার মিলে না। এমনকি প্রকল্পের কাজ শেষ করার পর উেকাচ না দেয়ায় বরাদ্দের টাকা ফেরত পাঠানোর মত ঘটনাও ঘটেছে। সম্প্রতি উপজেলার ৭ ইউপি চেয়ারম্যান সম্মিলিতভাবে প্রকল্প কর্মকর্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা প্রকল্প অফিস থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব বরাদ্দের ডিও লেটার দেয়ার জন্য উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম টনপ্রতি তিন হাজার টাকা করে অগ্রিম আদায় করে নেন। যারা অগ্রিম টাকা দিতে পারেন না তাদের টাকা তুলে কমিশন রেখে বাকিটা বুঝিয়ে দেন। কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পেও একইভাবে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কেটে রাখেন। কর্মসৃজন কর্মসূচিতে প্রতিটি প্রকল্পে দুই থেকে তিনজন শ্রমিকের প্রতিদিনের টাকা তাকে দিতে হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এভাবে প্রকল্প কর্মকর্তা অবৈধভাবে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত্ করছেন। এসব কমিশনের টাকা আদায়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক একজন ক্যাশিয়ার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সরকারিভাবে তার কোন বেতন না থাকলেও প্রকল্প কর্মকর্তা কমিশন থেকে তার বেতন দিয়ে থাকেন।
