ইন্টারভিউয়ের প্রশ্নগুলোকে অনেকভাবেই ভাগ করা যায়। তবে কে প্রশ্ন করছে, তার ওপর নির্ভর করে এসব প্রশ্নকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়। এর মধ্যে একগুচ্ছ সাধারণ প্রশ্ন চাকরিদাতা চাকরিপ্রার্থীর প্রতি করে থাকে। আবার চাকরিপ্রার্থী নিজেও চাকরিদাতাকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করে থাকে। প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক, চাকরিদাতারা সাধারণত কমন কী প্রশ্নগুলো করে থাকে।
১. নিজের সম্বন্ধে কিছু বলা।
২. আপনার দুর্বলতা কী?
৩. কেন আমরা আপনাকে এই চাকরিতে জয়েন করতে দেব?
৪. কাল যদি আপনি অন্য জায়গা থেকে ভাল অফার পান, তাহলে কী করবেন?
৫. আজ থেকে পাঁচ-সাত বছর পরে আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
এসব প্রশ্নের উত্তর চাকরিপ্রার্থীর আগে থেকেই ঠিক করে রাখা উচিত যাতে ইন্টারভিউ বোর্ডে ঘাবড়ে না যান। আবার চাকরিপ্রার্থী নিজেও ইন্টারভিউ বোর্ডে কিছু প্রশ্ন করতে পারেন। এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোও একটু দেখে নেওয়া যাক।
১. আপনাদের কোম্পানি সম্বন্ধে জানতে চাই। আপনাদের কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য কী?
২. আমার ক্যারিয়ার লক্ষ্য আপনাদের জানিয়েছি। সংশ্লিষ্ট চাকরিটি আমার ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে কতটা সাহায্য করবে? দায়দায়িত্ব কী? প্রোমোশনের সম্ভাবনা কীরকম?
৩. আপনাদের কোম্পানিতে আমি কী কী ধরনের পেশাগত ট্রেনিং নিতে পারবো?
৪. আমার সম্ভাব্য সিটিসি (কস্ট টু কোম্পানি) কত হতে পারে? এক্ষেত্রে ইন্টারভিউয়ারও প্রশ্ন করতে পারেন যে, আপনার প্রত্যাশিত সিটিসি কত? কস্ট টু কোম্পানি অর্থে, মাইনে ছাড়াও অন্যান্য সুযোগসুবিধা বাবদ এই সংস্থা তার কর্মীদের পিছনে কত খরচ করছে?
সব মিলিয়ে ঠিকমতো পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নিলে পৃথিবীর কঠিন থেকে কঠিনতম ইন্টারভিউ টপকানোও অসম্ভব নয়। পজিটিভ মাইন্ডসেট এবং অপটিমিস্টিক অ্যাটিচিউড থাকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এরপর যখন লিখিত পরীক্ষায় পাস করে ইন্টারভিউয়ের ডাক আসবে, তখন মনে রাখতে হবে একটাই, অর্ধেক যুদ্ধ জিতে গিয়েছি, বাকিটাও এবার জিতব!
