রংপুরে জমে উঠছে শেষে মুহূর্তের ঈদ বাজার। শিশু থেকে বয়স্ক নারী-পুরুষের পদচারণায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মুখরিত মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলো। ঈদের বাকি মাত্র ৭ দিন। কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা। ব্যবসায়ীদেরও ব্যস্ততা বেড়ে গেছে দ্বিগুণ। মার্কেট ও শপিংমলে বিভিন্ন রঙের আলোক সজ্জা করা হয়েছে। দোকানগুলোতে বাড়ানো হয়েছে সেলসম্যানের সংখ্যা। এদের অধিকাংশই তরুণী। অনেকেই আবার বিক্রি বাড়ানোর জন্য মূল্যছাড়ের পাশাপাশি আকর্ষণীয় পুরস্কারের ঘোষণা দেয়ায় এসব দোকানে ক্রেতারাও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এবারের ঈদে ফুটপাত থেকে শুরু করে রংপুর নগরীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্স, জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টার মার্কেট, হনুমানতলা মার্কেট, এরশাদ হকার্স মার্কেট, হাসি শপিং কমপ্লেক্স, কারুপণ্য, রজনীগন্ধা মার্কেট, মতিপ্লাজা, শাহ মো. ছালেক মার্কেটসহ প্রায় ২৫টি মার্কেটের হাজার হাজার দোকানে গড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। এসব দোকানে ৫শ’ টাকা থেকে শুরু করে ২৫/৩০ হাজার টাকা মূল্যের পণ্য সামগ্রী রয়েছে। মার্কেটগুলোতে ভারতীয় আইডল ও টিভি চ্যানেলগুলোর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সেরা শিল্পীদের নামে তৈরি এসব থ্রি-পিস ও শাড়ির চাহিদা ব্যাপক। এবার ঈদে পাখি থ্রি-পিস, ফ্লোরটাচ, বোঝেনা না সে বোঝেনা, পাড়ি থ্রি-পিস ও কাটপিস চাহিদা অনেক বেশি। তবে ভারতীয় শাড়ির চেয়ে এবার দেশি জামদানি, কাতান এবং টাঙ্গাইলের সুতি শাড়ির বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি দেশি তৈরি বুটিক থ্রি-পিস, শাড়ি, পাঞ্জাবি ও শিশুদের তৈরি বিভিন্ন পোশাকের চাহিদা রয়েছে।
ছেলেদের এনডি কটনের ইন্ডিয়ান পাঞ্জাবি রয়েছে পছন্দের শীর্ষে। তবে দাম একটু বেশি। পোশাকের পাশাপাশি মোবাইল ফোনসেট এবং মোটর সাইকেল বিক্রিও বেড়েছে। তবে স্বর্ণের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা ইমিটেশনের গহনা বেশি কিনছে।
অনেক ক্রেতা জানান, মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলো নানা ধরনের পোশাকের সমারোহ ঘটলেও গত বছরের তুলনায় এ বছর দাম বেশি।
জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের চৈতী থ্রি-পিস সেন্টারের স্বত্বাধিকারী রেজাউল ইসলাম রেজা জানান, এবারের ঈদে ভারতীয় থ্রি-পিস ‘পাখি’ চাহিদা বেশি। পাখি থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায়।
