সিলেটের জকিগঞ্জে স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিমের লাশ দাফনের ১৩ দিন পর ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে স্থানীয় ঘেচুয়া কবরস্থান থেকে বুধবার দুপুরে লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্কুল শিক্ষক আব্দুল করিম (৪৫) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ঘেচুয়া গ্রামের মৃত মুজম্মিল আলীর ছেলে। তিনি সুনামগঞ্জের স্বরূপচন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। গত ৯ জুলাই আব্দুল করিমের মৃত্যু হয়। তিনি হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দাবি করে তাকে তাড়াহুড়ো করে দাফন করা হয়। গ্রামের বেশকিছু মানুষ আব্দুল করিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন। আব্দুল করিমের ভাই ফাহিম আহমদের স্ত্রী রুজি বেগম বাদী হয়ে করিমের অপর দুই ভাই পুলিশের এসআই শাকুর আহমদ ও আব্দুর রহিমসহ ৫জনকে আসামি করে জকিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।
