ঘুম থেকে উঠে
একটা ঘূর্ণির খপ্পরে পড়ে আছি
বহুক্ষণ ধরে।
এই কবিতার শব্দগুলো
ঝাঁকবদ্ধ বকের মতো
ডানা মেলে উড়াল দিয়েছে
পদ্মার ধু-ধু চরে।
একটা অদৃশ্য সাঁকো পার হয়ে
পাড়হীন নদীর আগুনে
পড়ে আছি।
শূন্য কলসির পেটের নিচে
উল্টো হয়ে পড়ে আছে সময়।
আকাশটা পোড় খাওয়া ঘুড়ি হয়ে উড়ছে
সেই কবে থেকে
কেউ তার খবর রাখে না,
সব দায় যেন আমার!
আমি কেন হবো
শব্দের অন্ধ ফকির
কবিতার জাদুকর হুজুর কেবলা?
না, আমি এসবে নেই
আকাশটা গোত্তা মারছে
হাওয়া না মাটির টানে
গোত্তা মারতে মারতে
নিচে নেমে আসছে
শূন্যতাকে হাওয়ার কাছে
কিছুক্ষণের জন্য বন্ধক রেখে
আপাতত আমি
শূন্যতার হাত থেকে
কবিতার আঁচড় থেকে বাঁচতে চাই।
কে আছো হে দয়াল সুজন!
জুয়েলকে ডাকো
ওর সঙ্গে গলাটা জড়িয়ে
সুরটা মিলিয়ে
সমুদ্রকে গিলতে গিলতে
হাওয়ার স্তনে চুমো রেখে বলি—চিয়ার্স।
