অঙ্গুলিত্র

আপডেট : ৩০ মে ২০১৯, ২০:১৩

ছিলে না চিত্রিণী তুমি, অথবা পদ্মিনী

পরোনি পাঁইজোর পায়ে, অথবা পাশুলি

কিংবা গাঁথোনি ফুল— পিউলি বেণীতে;

তবু তুমি অনন্যা বসুধা!

 

সেই কবে খেয়াহীন বর্ষার ঘাটে ভেজাচুল-হাসি

আঁচলে ওড়ালে হাওয়া বকুলগন্ধের

বুলালে মায়াবী ঘ্রাণ চক্ষুপুষ্পের;

তারপর থেকে আর ‘পর’ বলে ভাবিনি তোমাকে।

 

কেতকীর ঝোপ রেখে শালবনে যখন দুপুর

হরিণ দেখার ছলে গিয়েছি কতবার;

আড়চোখে তাকিয়েই স্বেচ্ছায় গিয়েছ এড়িয়ে

হুসেনের গজেন্দ্রগামিনীর মতো তুমিও পালালে দম্ভে

একী হলো; পেয়েও হারাতে হলো মাজুল স্বভাবে।

 

এইভাবে এলেবেলে এলেবেলে করে পালালো সময়

জ্বলেছি নীলকণ্ঠ-বিষে দীর্ঘজীবন

অদৃশ্য পার্শ্বব এক চুপি চুপি হেনে যায় বিরহ-কুঠার

তারপর... তারপরও তোমাকেই খুঁজে ফিরি বুকের বাঁ-পাশে

বেদনার নীল ঘোড়া হ্রেস্বা রবে ছুটে মরে মগজের মাঠে

পরিনি অঙ্গুলিত্র তবু বেদনা লাঘবে;

জানি এই বেদনার মূলভূমি তুমি, তবু জানি

তুমিই জীবন আর তুমিই অঙ্গুলিত্র আমার।