কাওড়াকান্দি যানজট মুক্ত

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৪, ২২:৩৭
তীব্র স্রোতে ফেরিসহ নৌযান পারাপারে বাড়তি সময় লাগলেও গতকাল শনিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ঘরমুখো যাত্রীদের ভীড় পড়েছে। অন্যদিকে পুলিশের কঠোর অবস্থানে কাওড়াকান্দি ঘাট ছিল যানজটমুক্ত ও সুশৃঙ্খল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গতকাল সকাল থেকেই এ রুট দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের ভীড় পড়ে। প্রতিটি ফেরি, লঞ্চ, স্পিডবোটেই ঘরমুখো যাত্রীদের ভীড় ছিল। ফেরি ও লঞ্চে নির্ধারিত ভাড়া আদায় করা হলেও মাওয়া থেকে স্পিডবোটগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। তবে স্পিডবোটগুলোর যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরার বাধ্যবাধকতা মানা হয়নি সঠিকভাবে। প্রতিটি লঞ্চই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে উত্তাল পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে। এছাড়া ভাঙ্গাসহ স্থানীয় বাসগুলো রুট পরিবর্তন করে বরিশাল ও খুলনা রুটে চলায় যাত্রীরা বিপাকে পড়েন। একদিকে স্থানীয় যানবাহন অন্য রুটে চলায় অপরদিকে ঘাট এলাকায় হালকা যানবাহন প্রবেশ করতে না দেয়ায় স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহান। কাওড়াকান্দি মাইক্রোবাস সমিতির সভাপতি খোকা মিয়া বলেন, আমাদের ২শ গাড়ির মধ্যে মাত্র ৮০টা স্টিকার পেয়েছে। এই জন্য ভাড়া একটু বেশি নিতে হচ্ছে। ফরিদপুর বাস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বিকাশ মজুমদার বলেন, ওই রুটে (বরিশাল-খুলনা) বাস কম থাকায় ও যাত্রী বেশি থাকায় বাসগুলো চলছে। তবে যে বাসগুলো স্টিকার পায়নি তারা লোকাল রুটে চলছে। শিবচর থানার ওসি জানান, নদী ও ঘাট এলাকায় প্রায় ২ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত ঘাট এলাকা যানজট মুক্ত রয়েছে। বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ঘাট ম্যানেজার শাহনেওয়াজ চৌধুরী বলেন, স্রোতের কারণে পারাপারে বিলম্ব হলেও ইতিমধ্যে নৌরুটে শক্তিশালী উদ্ধারকারী জাহাজ সংযোজন করা হয়েছে।